সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে গতকাল এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন।

তিনি জানান, বৈঠকে মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সক্ষমতা ও অবদান নিয়ে আলোচনা হয়। সেই সঙ্গে মার্কিন কমান্ডার বিভিন্ন নৌমহড়ায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরেন।

কমান্ডার স্টিফেন টি কেলার বলেন, ‘বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে অনেক সুযোগ রয়েছে। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরো এগিয়ে যাবে।’ তিনি আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সৌদি আরবের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ওয়ালিদ এল-খেরেইজি।

এসময় সৌরবিদ্যুৎ খাতে সৌদি বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এ খাতে সৌদি কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ দুই দেশের জন্যই লাভজনক হবে।’

বৈঠকে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করেন। সৌদি উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ এল-খেরেইজি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে বর্তমানে বিনিয়োগের জন্য ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। এ পরিস্থিতিতে দুই দেশের সম্পর্ক আরো জোরদারে সৌদি আরব আন্তরিকভাবে আগ্রহী।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানান সৌদি উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং সুবিধাজনক সময়ে সৌদি আরব সফরের আশা প্রকাশ করেন।

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version