আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সৌদি আরবের জিজান শহরে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি সৌদি আরামকোর তেল স্থাপনায় ফের হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবারের এই হামলায় স্থাপনাটির কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বর্তমানে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই ব্যক্তির বরাতে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, গত মাসের হামলার পর জিজানে সৌদি আরামকোর তেল অবকাঠামোতে এটি নতুন হামলা। একজন সূত্রের দাবি, সর্বশেষ হামলার মাত্রা আগের হামলার কাছাকাছি।

সৌদি আরামকো তাৎক্ষণিকভাবে হামলার বিষয়ে মন্তব্য করেনি। তবে হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যায়। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯৭ ডলারে উঠে যায়।

ইয়েমেন সীমান্তের কাছে অবস্থিত জিজান সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও জ্বালানি কেন্দ্র। শহরটির আরামকো স্থাপনা অতীতেও হামলার লক্ষ্য হয়েছে। তবে সোমবারের হামলার দায় এখনো কোনো পক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি।

ইরান-সমর্থিত হুথিদের সঙ্গে সৌদি আরবের উত্তেজনা নতুন করে বাড়ার মধ্যেই এই হামলার ঘটনা ঘটল। গত কয়েক সপ্তাহে সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামোকে ঘিরে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে।

জিজানে প্রতিদিন প্রায় ৪ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের সক্ষমতাসম্পন্ন একটি বড় শোধনাগার রয়েছে। ফলে সেখানে হামলার ঘটনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও উদ্বেগ তৈরি করেছে।

সৌদি আরামকোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমিন নাসের এর আগে জানিয়েছিলেন, আগের হামলার কারণে তেল উৎপাদনে কিছুটা বিঘ্ন ঘটলেও কোম্পানির কার্যক্রম ও আর্থিক অবস্থায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েনি।

নতুন হামলার পর জিজান স্থাপনার কার্যক্রমে কী ধরনের প্রভাব পড়েছে, তা জানতে ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন শেষ হওয়ার অপেক্ষা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version