Skip to content
Close Menu
সময়ের সংবাদ
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    Facebook X (Twitter) Instagram
    সময়ের সংবাদ
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    সময়ের সংবাদ
    Home»সারাদেশ»পাহাড়ধসে তিন দিনে ২২ জনের প্রাণহানি
    সারাদেশ

    পাহাড়ধসে তিন দিনে ২২ জনের প্রাণহানি

    MisuBy Misu9 July, 2026No Comments8 Mins Read
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Email

    ডেস্ক নিউজ : বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলে চার দিন টানা বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির সময় পাহাড়ধস ও দেয়ালচাপায় গত তিন দিনে এ অঞ্চলের তিন জেলায় ২২ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে গতকাল বুধবার মারা গেছে সাত শিশু।

    ভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম নগরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু থেকে কোমরপানি জমেছিল। রেললাইনের ওপর পানি জমে থাকায় কক্সবাজারের সঙ্গে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

    বিশেষজ্ঞ ও আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, চট্টগ্রামে এবার যে পরিমাণ বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে, তা পুরোপুরি অস্বাভাবিক বলা যাবে না। তবে আবার স্বাভাবিকও নয়। কেননা এবার আষাঢ় মাসের প্রথম ২০ দিন প্রায় বৃষ্টি হয়নি। তাই এখন একসঙ্গে যে বৃষ্টি হয়েছে, তা অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে। বর্ষাকালে সাগরে নিম্নচাপ সৃষ্ট হলে এ ধরনের বৃষ্টি হয়ে থাকে। এখন তা–ই হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম নগরে বৃষ্টি হচ্ছে চার দিন ধরে। গতকালও সকালে ভারী বর্ষণ শুরু হয়। এই বৃষ্টি চলবে আরও দুই দিন।

    গতকাল বেলা তিনটা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭৯ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়। এর আগে গত মঙ্গলবার চট্টগ্রামে রেকর্ড পরিমাণ ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, যা ছিল ৪৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

    যোগাযোগ করা হলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক অলক পাল বলেন, এবার আষাঢ়ের ১ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত কোনো বৃষ্টি হয়নি। এখন অতি বৃষ্টির প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে সাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ। তবে গত ৪৩ বছরে এত ব্যাপক পরিমাণে বৃষ্টি হয়নি। সে হিসাবে এবারের বৃষ্টিকে অস্বাভাবিক বলা যায়।

    এমন দুর্যোগ মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর সমন্বয়হীনতা রয়েছে মন্তব্য করে অধ্যাপক অলক পাল বলেন, বর্ষার শুরুতে দুর্যোগ মোকাবিলায় যে রকম প্রস্তুতি নেওয়া দরকার, প্রশাসন সেভাবে অনেক সময় নেয় না। শুরু থেকে সমন্বয় থাকলে অনেক প্রাণহানি কমানো যেত।

    তবে আবহাওয়া ও ভূপ্রাকৃতিক কেন্দ্র চট্টগ্রামের উপপরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রহমান খান প্রথম আলোকে বলেন, ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশে এমনিতেই বর্ষাকালে বৃষ্টি হয়। এ সময়ে দেশের উপকূলে কিংবা উপকূল ঘেঁষে কোনো লঘুচাপ সৃষ্টি হলে প্রচুর পরিমাণ বৃষ্টি হয়। এবার সে রকম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

    পাহাড়ধসে তিন দিনে ২২ মৃত্যু

    টানা বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটিতে পাহাড়ধসে তিন দিনে অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মঙ্গলবার চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও রাঙামাটিতে পাহাড়ধস ও দেয়ালচাপায় ৫ জনের মৃত্যু হয়। গত রোববার দিবাগত রাতে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে ৮ জন, জেলা সদরে ১ জন, পেকুয়ায় ১ জনসহ মোট ১০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সর্বশেষ গতকাল কক্সবাজারে ৫ জন ও চট্টগ্রামে ২ শিশু নিহত হয়।

    কক্সবাজারের উখিয়ার ৫ নম্বর আশ্রয়শিবিরে মহিলা হেফজখানার (মাদ্রাসা) দেয়াল ও মাটিচাপার ঘটনায় পাঁচ ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চারজনের পরিচয় জানা গেছে।

    আশ্রয়শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) অধিনায়ক ও অ্যাডিশনাল ডিআইজি সিরাজ আমিন নিহত চার ছাত্রীর পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। তারা হলো ৫ নম্বর ক্যাম্পের বাসিন্দা হাসিম উল্লাহর মেয়ে রাশিদা বেগম (১৩), আবদুস শুকুরের দুই মেয়ে উন্মে নেজাতুল (১৩) ও উন্মে সালমা (১২) এবং মো. ইলিয়াছের মেয়ে উমাইসা বিবি (১৩)।

    গতকাল বেলা দুইটার দিকে ভারী বর্ষণে দেয়াল ধসে পড়লে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার আগে মাদ্রাসাটিতে ৩০ জন শিশু ছিল। ফায়ার সার্ভিস, ক্যাম্প প্রশাসন, এপিবিএন ও রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবীরা সেখানে উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেন। সন্ধ্যায় উদ্ধারকাজ শেষ হয়।

    গুরুতর আহত অবস্থায় আশ্রয়শিবিরের কুতুপালং ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তিন শিশু-কিশোরীকে। তারা হলো ৩ নম্বর ক্যাম্পের দিল মোহাম্মদের মেয়ে আসরা বেগম (৯), একই ক্যাম্পের এফ-১ ব্লকের নুরুল আমিনের মেয়ে বেগম জান (১৫) ও ৫ নম্বর ক্যাম্পের এ-৭ ব্লকের বশির আহমদের মেয়ে ফারেসা বিবি (১২)। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরসি) এবং অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বিকেলে দুর্ঘটনাস্থল থেকে ৩০ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন মারা গেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে কুতুপালং ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পাহাড়ের খাদে নির্মিত দেয়াল মাদ্রাসার ওপর ধসে পড়লে এ ঘটনা ঘটে।

    এদিকে চট্টগ্রামে পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সকাল নয়টায় জঙ্গল সলিমপুরের বাগানবাড়ির ৬ নম্বর সমাজ এলাকায় একটি পাহাড়ধসে ১০ মাস বয়সী আশরাফুল ইসলাম মারা যায়। শিশুটির মা লামিয়া আক্তার মাটিচাপা পড়ে আহত হন। দুপুরে নগরের চশমা হিলের মেয়র গলি এলাকায় পাহাড়ধসে সামিয়া ইসলাম (১৩) নামের এক শিশু মারা যায়।

    টানা দ্বিতীয় দিন ডুবেছে চট্টগ্রাম

    টানা ভারী বৃষ্টিতে আগের দিনের মতো গতকালও নগরের কাতালগঞ্জ, কাপাসগোলা, বাদুড়তলা, পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকা, রেয়াজউদ্দিন বাজার, তিন পোলের মাথা, চান্দগাঁও, শমসেরপাড়া, খরমপাড়া, খাজা রোড, সুন্নিয়া মাদ্রাসা, আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকা, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, উত্তর আগ্রাবাদ, রামপুরা, হালিশহর, আকবরশাহ সিডিএ আবাসিক এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা হয়েছে। এসব এলাকায় ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত পানি ছিল।

    ভারী বর্ষণে নগরের মূল সড়কসহ বিভিন্ন রাস্তায় যান চলাচলের সংখ্যা ছিল কম। লোকজন জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হননি। এ ছাড়া বৈরী আবহাওয়ার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণি ও পরীক্ষা কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

    সরেজমিনে দেখা যায়, নগরের রামপুরা এলাকায় সড়কে হাঁটুপানি জমেছিল। এর মধ্যে লোকজন চলাচল করছেন। এখানে নিচতলার বাসা, আধা পাকা বসতঘর, দোকানে পানি ঢুকে পড়ে। এর মধ্যে রান্নাবান্নাসহ দৈনন্দিন কাজ সারতে হয় পরিবারের সদস্যদের। পানিতে ঘরের আসবাব ভিজে যায়।

    নুরজাহান বেগম নামের এক নারী বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে পানি জমে আছে ঘরে। বারবার পানি পরিষ্কার করতে হয়। আবার পানি উঠে যায়। কী যে কষ্ট হয়, তা বলার মতো নয়।’

    নগরের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকার বিভিন্ন সড়ক হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে যায়। সরকারি কমার্স কলেজের পাশে একটি খাবারের দোকানে জমে ছিল পানি। এর মধ্যে চলছিল বেচাবিক্রি।

    খাবারের দোকানি মো. রাশেদ অভিযোগ করেন, এবার অনেক বেশি পানি হয়েছে। নালা-নর্দমাগুলো ঠিকভাবে পরিষ্কার করলে এ অবস্থা হতো না। বৃষ্টি হলে পানি ওঠে। জলাবদ্ধতার কারণে লোকজন কম বের হন। এতে বেচাবিক্রি কমে গেছে। দিনের খরচও উঠছে না।

    কক্সবাজারের সঙ্গে ট্রেন চলাচল বন্ধ

    ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরে চার কিলোমিটার রেলপথ প্রায় দুই ফুট পানিতে ডুবে আছে দুই দিন ধরে। নগরের সুন্নিয়া মাদ্রাসা থেকে শমসেরপাড়া পর্যন্ত রেলপথ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।

    রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ গতকাল সকালে ডুবে থাকা রেলপথ পরিদর্শন করেছেন। তিনি গ্যাংকারে (রেলওয়ের ট্র্যাক পরিদর্শন ও মেরামতের মালামাল পরিবহন করা হয়) করে ঘটনাস্থলে যান। ভবিষ্যতে যাতে রেললাইন পানিতে তলিয়ে না যায়, সে জন্য এটি পাঁচ ফুট উঁচু করার ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী।

    এর আগে ২০২৩ সালের আগস্টে চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত নির্মাণাধীন রেলপথের একটি অংশ বন্যার পানিতে ডুবে গিয়েছিল। এ সময় পাথর ও মাটি সরে রেললাইন বেঁকে যায়। বন্যার পানিনিষ্কাশনের পর্যাপ্ত পথ না থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। পরে পানিনিষ্কাশনের জন্য নতুন করে সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছিল।

    এ ছাড়া ২০২৪ সালের আগস্টের শেষ সপ্তাহে ফেনী থেকে হাসানপুর পর্যন্ত রেললাইন বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ায় চার দিন ঢাকা-চট্টগ্রাম ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

    রেলওয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) আনিসুর রহমান বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পথে প্রতিদিন চার জোড়া ট্রেন চলাচল করে। এসব ট্রেনে করে প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ৯ হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন। কবে নাগাদ ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে তা এ মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না।

    ট্রেনের যাত্রা বাতিল নিয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের ভূমিকায় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। গতকাল চট্টগ্রামে এসে যাত্রা বাতিল হওয়া কক্সবাজার এক্সপ্রেসের যাত্রী সাদিয়া আফরিন বলেন, স্বামী ও দুই মেয়েসহ কক্সবাজার বেড়াতে যাচ্ছিলেন। রাতে তাঁদের ট্রেন ছাড়ে। সকালে যাত্রা বাতিল করে। অথচ চট্টগ্রামের রেলপথ ডুবে যায় মঙ্গলবার দুপুরে। ঢাকা থেকে যাত্রা বাতিল করা হলে তাঁদের দুর্ভোগ পোহাতে হতো না। এখন মাঝপথ থেকে আবার ঢাকায় ফিরে যেতে হচ্ছে। দুই মেয়ে খুব আশা করেছিল, সমুদ্র দেখবে, কিন্তু তা আর হলো না।

    রেললাইন ডুবে যাওয়া প্রসঙ্গে অধ্যাপক অলক পাল বলেন, রেললাইনগুলো সাধারণত যে উচ্চতায় থাকার কথা, এখানে হয়তো সেই স্বাভাবিক উচ্চতায় নেই এবং আশেপাশে নিচু এলাকা হওয়ায় পানি জমে রেললাইনও ডুবে যাচ্ছে।

    সাজেকে আটকা ৪৫০ পর্যটক

    একটানা অতি ভারী বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির বেশ কিছু এলাকা পাহাড়ি ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে রাঙামাটির সঙ্গে খাগড়াছড়ির সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। পাশাপাশি তলিয়ে গেছে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা-রাঙামাটির লংগদু-সাজেক সড়ক।

    গতকাল সকালে পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা-সাজেক সড়কের মাচালং, বাঘাইহাটসহ বেশ কিছু এলাকা পানিতে ডুবে যাওয়ায় সাজেকে অবস্থানরত সাড়ে ৪০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন।

    দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে মঙ্গলবার বিকেলে সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রশাসন। আটকে পড়া পর্যটকদের গতকাল ফেরার কথা থাকলেও সড়ক ডুবে যাওয়ায় ফিরতে পারেননি।

    সাজেক কটেজ অ্যান্ড রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মণ প্রথম আলোকে মুঠোফোনে বলেন, পর্যটকদের সাজেক ভ্যালিতে বুধবার দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করার অনুরোধ করা হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে এবং যাতায়াতের পরিবেশ তৈরি হলে বিকেলে সেনাবাহিনীর সহায়তায় খাগড়াছড়ি সদরে ফিরিয়ে আনা হতে পারে।

    টানা বৃষ্টিতে দুর্ঘটনা এড়াতে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের সব ঝরনায় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বন বিভাগ। আগামীকাল শুক্রবার পর্যন্ত উপজেলার সব কটি ঝরনায় পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ থাকবে।

    ৫ জেলায় সড়ক ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

    চার দিনের টানা অতি ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। চট্টগ্রামের আট উপজেলাসহ বিভিন্ন জেলায় হাজারো পরিবার পানিবন্দী, সড়ক ও জনপদ তলিয়ে গেছে।

    কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরীতে অন্তত ১৫ হাজার পরিবার বন্যাকবলিত। পাহাড়ধস, ভাঙন ও জলাবদ্ধতায় সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে; চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথেও ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

    বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির সাজেকে সড়ক ডুবে যান চলাচল বন্ধ, শত শত পর্যটক আটকা পড়েছেন। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ–বিচ্ছিন্ন, ফসল ও মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রশাসন আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে আহ্বান জানিয়েছে।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Misu
    • Website

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Latest Posts

    সমন্বিত প্রচেষ্টায় ৪-৫ বছরেই অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

    2 August, 2026

    তীব্র গরমে কর্মঘণ্টা হারানোর শঙ্কা, দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ঝুঁকিতে ঢাকা

    1 August, 2026

    বিশ্ববাজারে এক দিনেই তেলের দাম বেড়েছে ১ ডলার

    1 August, 2026

    সম্পাদক প্রকাশক: আশিকুর রহমান মিঠু
    ফোনঃ 01772666086
    E-mail: Shomayershangbad@gmail.com

     

    প্রধান কার্যালয়ঃ ৫১৬/২ ই-সি-বি চত্বর ৭১ টাওয়ার 

    Facebook X (Twitter) Instagram Vimeo YouTube
    © 2026 Shomayer Shangbad. Designed by MD ROBIN MIA.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.