Skip to content
Close Menu
সময়ের সংবাদ
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    Facebook X (Twitter) Instagram
    সময়ের সংবাদ
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    সময়ের সংবাদ
    Home»রাজনীতি»পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী ১৪ ই জুলাই উপলক্ষ্যে স্মরণ করছি: আধুনিক বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন ও গ্রামমুখী রাষ্ট্রচিন্তা
    রাজনীতি

    পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী ১৪ ই জুলাই উপলক্ষ্যে স্মরণ করছি: আধুনিক বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন ও গ্রামমুখী রাষ্ট্রচিন্তা

    MisuBy Misu12 July, 2026No Comments3 Mins Read
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Email

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগামী ১৪ জুলাই জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে আজ তাঁর শাসনামলে অবকাঠামো উন্নয়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর উন্নয়ন-দর্শনের বিভিন্ন দিক উল্লেখ করছি, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় ছিল পুনর্গঠন ও উন্নয়নের সময়। আশির দশকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্থানীয় সরকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতি গ্রহণ করেন। দেশবাসীর মতে, উন্নয়নকে শুধু রাজধানীকেন্দ্রিক না রেখে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিস্তৃত করার প্রথম চেষ্টা ছিল এরশাদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

    তাঁর শাসনামলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাজার হাজার কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার, অসংখ্য সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ এবং গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ সহজ হয়, যাতায়াতের সময় কমে এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় মানুষের প্রবেশাধিকার বাড়ে।

    গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য সেচ, কৃষি সম্প্রসারণ এবং স্থানীয় বাজার ব্যবস্থার উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণ, উন্নত বীজের ব্যবহার এবং কৃষি সম্প্রসারণ কার্যক্রমে সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি করা হয়েছিল। এর ফলে আশির দশকে খাদ্যশস্য উৎপাদনে ধারাবাহিক অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়।

    স্বাস্থ্য খাতেও উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে হাসপাতাল, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম এবং টিকাদান কর্মসূচির সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়া হয়। একই সময়ে শিক্ষার প্রসারে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং গ্রামীণ এলাকার শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়।

    হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সময় স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে স্থানীয় পর্যায়ের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ধারণা পরবর্তী সময়েও বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

    তাঁর সরকারের সময় পরিবেশ সংরক্ষণেও কিছু উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ নেওয়া হয়। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জাতীয়ভাবে উৎসাহিত করা হয় এবং সামাজিক বনায়নের ধারণা আরও বিস্তৃতভাবে প্রচার পায়। আজও দেশে বর্ষাকালীন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ঐতিহ্যের সঙ্গে তাঁর সময়ের উদ্যোগের কথা প্রায়ই আলোচনায় আসে।

    অর্থনৈতিকভাবে আশির দশকে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। শিল্পায়ন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ এবং বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল। যদিও সে সময়ের অর্থনৈতিক সাফল্য নিয়ে গবেষক ও বিশ্লেষকদের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে, তবুও অবকাঠামো ও গ্রামীণ উন্নয়নে তাঁর সরকারের বিনিয়োগ নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা রয়েছে।

    হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রাজনৈতিক জীবন যেমন প্রশংসিত হয়েছে,বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও গবেষকের ভিন্ন মূল্যায়ন ও রয়েছে। তবে একই সঙ্গে এটিও সত্য যে তাঁর শাসনামলের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, স্থানীয় সরকার সংস্কারের উদ্যোগ এবং গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন বাংলাদেশের ইতিহাসে আলোচিত বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে।

    জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের কাছে তিনি শুধু একজন রাষ্ট্রনায়কই নন বরং একজন উন্নয়নমুখী নেতৃত্বের প্রতীক। তাঁরা বিশ্বাস করেন, তাঁর উন্নয়ন-ভাবনা আজও বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নের আলোচনায় প্রাসঙ্গিক।
    পল্লীবন্ধুর ৭ম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি তাঁর কর্মজীবনকে।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Misu
    • Website

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Latest Posts

    ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে যাবেন ট্রাইব্যুনালের তিন বিচারক

    21 July, 2026

    তনু হত্যা মামলায় আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ

    21 July, 2026

    মানবতাবিরোধী অপরাধে মোজাফফরকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ

    21 July, 2026

    সম্পাদক প্রকাশক: আশিকুর রহমান মিঠু
    ফোনঃ 01772666086
    E-mail: Shomayershangbad@gmail.com

     

    প্রধান কার্যালয়ঃ ৫১৬/২ ই-সি-বি চত্বর ৭১ টাওয়ার 

    Facebook X (Twitter) Instagram Vimeo YouTube
    © 2026 Shomayer Shangbad. Designed by MD ROBIN MIA.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.