Skip to content
Close Menu
সময়ের সংবাদ
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    Facebook X (Twitter) Instagram
    সময়ের সংবাদ
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    সময়ের সংবাদ
    Home»সারাদেশ»গাইবান্ধায় ৪৫ পয়েন্টে ভাঙনে বিপাকে ৭ শতাধিক পরিবার
    সারাদেশ

    গাইবান্ধায় ৪৫ পয়েন্টে ভাঙনে বিপাকে ৭ শতাধিক পরিবার

    MisuBy Misu24 July, 2026No Comments2 Mins Read
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Email

    ডেস্ক নিউজ : গাইবান্ধায় করতোয়া ও তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও কমেছে ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদের পানি। জেলার নদ-নদীগুলোর পানি কখনো বাড়ছে, আবার কখনো কমছে। এতে নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে বন্যা ও নদীভাঙনের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে জেলার চার উপজেলার ৪৫টি পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৭ শতাধিক পরিবার।

    শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার তথ্য অনুযায়ী গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ২ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৪৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং ঘাঘট নদের পানি ২ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

    অন্যদিকে করতোয়া নদীর পানি ৪ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং তিস্তা নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৪৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

    পাউবো জানায়, চলমান বর্ষা মৌসুমে এখন পর্যন্ত জেলার কোনো নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।

    তবে বর্ষা শুরু হওয়ার পর থেকেই ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, ঘাঘট, তিস্তা ও করতোয়া নদীতে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে নদীতীরবর্তী ৪৫টি পয়েন্টে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি, ফসলি জমি, সড়কসহ বিভিন্ন স্থাপনা বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

    জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলায় নদীভাঙনে ৭ শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

    ভাঙনকবলিত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে ফুলছড়ি উপজেলার দক্ষিণ রসুলপুর, চৌমহন চর, খাটিয়ামারি, দক্ষিণ খাটিয়ামারি, কাউয়াবাদা ও রতনপুর; সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কেরানীর চর, কালির খামার ও চর চরিতাবাড়ী; গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পূর্বপাড়া এবং সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়ন ও সাঘাটা উপজেলার কয়েকটি এলাকা।

    গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘ভাঙনকবলিত এলাকায় জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রস্তুত রয়েছে।’

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Misu
    • Website

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Latest Posts

    মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশন এলাকা থেকে বোমা উদ্ধার

    24 July, 2026

    রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ

    24 July, 2026

    পদত্যাগ করছেন না ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান

    24 July, 2026

    সম্পাদক প্রকাশক: আশিকুর রহমান মিঠু
    ফোনঃ 01772666086
    E-mail: Shomayershangbad@gmail.com

     

    প্রধান কার্যালয়ঃ ৫১৬/২ ই-সি-বি চত্বর ৭১ টাওয়ার 

    Facebook X (Twitter) Instagram Vimeo YouTube
    © 2026 Shomayer Shangbad. Designed by MD ROBIN MIA.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.