Close Menu
সময়ের সংবাদ
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    Facebook X (Twitter) Instagram
    সময়ের সংবাদ
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    সময়ের সংবাদ
    Home»অপরাধ ও দুর্নীতি»শিক্ষক নিয়োগে মেধা না পরিচয়—প্রশ্ন তুলছে দুদক
    অপরাধ ও দুর্নীতি

    শিক্ষক নিয়োগে মেধা না পরিচয়—প্রশ্ন তুলছে দুদক

    MisuBy Misu18 January, 2026No Comments3 Mins Read
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Email

    বিশেষ প্রতিবেদকঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগে গুরুতর অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অভিযান চালালেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না পাওয়ায় তদন্ত কার্যক্রম পুরোপুরি এগোতে পারেনি। উপাচার্যের কার্যালয়ে সব গুরুত্বপূর্ণ নথি তালাবদ্ধ থাকায় দুদকের কর্মকর্তারা সেগুলো যাচাই করতে ব্যর্থ হন।

    বুধবার সকালে দুদকের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১-এর একটি দল বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছায়। তবে সে সময় উপাচার্য ঢাকায় অবস্থান করায় তার দপ্তরের নথিপত্র খোলা সম্ভব হয়নি। ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়াগুলো আইন অনুযায়ী হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা যায়নি।

    দুদক চট্টগ্রাম-১-এর সহকারী পরিচালক সায়েদ আলম জানান, গত প্রায় ১৫ মাসে নিয়ম ভেঙে প্রায় ২৫০ জন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ তাদের কাছে এসেছে। এসব নিয়োগে স্বচ্ছতা ছিল না এবং বেশ কয়েকটি বিভাগে আত্মীয়-স্বজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ফিন্যান্স বিভাগ, ফার্সি বিভাগ, ক্রিমিনোলজি বিভাগ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে নিয়োগ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।

    অভিযোগ অনুযায়ী, অনেক ক্ষেত্রেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষার নম্বর বণ্টন, ভাইভা বোর্ডের সিদ্ধান্ত এবং চূড়ান্ত সুপারিশে প্রশাসনিক প্রভাব খাটানো হয়েছে। মেধার চেয়ে ব্যক্তিগত পরিচয় ও ক্ষমতার সম্পর্ককে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

    সবচেয়ে আলোচিত অভিযোগগুলোর একটি এসেছে ফিন্যান্স বিভাগ থেকে। অভিযোগ করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান তার প্রভাব খাটিয়ে নিজের মেয়ে মাহিরা শামীমকে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ দিতে ভূমিকা রেখেছেন। জানা যায়, গত ১৯ ডিসেম্বর ফিন্যান্স বিভাগের চারটি প্রভাষক পদের জন্য নিয়োগ বোর্ড বসে। এতে ৫১ জন আবেদনকারীর মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৮ জন ভাইভা ও প্রেজেন্টেশনে অংশ নেন। সেখান থেকে চারজনকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়, যাদের একজন মাহিরা শামীম।

    মাহিরা শামীম ওই বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং মাস্টার্স পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছিলেন। নিয়োগ বোর্ডের বিশেষজ্ঞ সদস্য ও প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নসরুল কাদির দাবি করেন, এখানে ব্যক্তিগত পরিচয়ের কোনো বিষয় ছিল না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মাহিরা শামীমের আন্তর্জাতিক জার্নালে দুটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত থাকায় তিনি তুলনামূলকভাবে এগিয়ে ছিলেন।

    এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, তিনি ওই নিয়োগ বোর্ডের সদস্য ছিলেন না এবং বোর্ডের সভাপতি ছিলেন উপাচার্য নিজেই। তার দাবি, তার মেয়ে যোগ্যতার ভিত্তিতেই আবেদন করেছে এবং বোর্ড স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    এদিকে আরেকটি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে তার ভাই মো. আব্দুল কাইয়ুমকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগেও স্বচ্ছতা মানা হয়নি বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।

    তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, তার ভাই যখন চাকরির জন্য আবেদন করেন, তখনই তিনি নিয়োগ বোর্ড থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেন। তার দাবি, মো. আব্দুল কাইয়ুমের শিক্ষাগত যোগ্যতা ভালো এবং তিনি এর আগে সৌদি আরবের জেদ্দা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে চলমান বিতর্কের কারণে তার ভাই আদৌ এই চাকরিতে যোগ দেবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

    দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত সব নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা, ভাইভা, নম্বরপত্র ও বোর্ডের সুপারিশ সংক্রান্ত নথি সংগ্রহের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এসব কাগজপত্র যাচাই না করা পর্যন্ত কোনো নিয়োগে আইন লঙ্ঘন হয়েছে কি না, তা চূড়ান্তভাবে বলা সম্ভব নয়। তবে অভিযান শেষে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করে কমিশনে জমা দেওয়া হবে।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Misu
    • Website

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Latest Posts

    Ruleta con giros gratis en España: Todo lo que necesitas saber

    13 June, 2026

    Roulette with Live Dealer India from Real Casino

    13 June, 2026

    Ruleta móvil para Android para móviles: la emoción del casino en la palma de tu mano

    13 June, 2026

    সম্পাদক প্রকাশক: আশিকুর রহমান মিঠু
    ফোনঃ 01772666086
    E-mail: Shomayershangbad@gmail.com

     

    প্রধান কার্যালয়ঃ ৫১৬/২ ই-সি-বি চত্বর ৭১ টাওয়ার 

    Facebook X (Twitter) Instagram Vimeo YouTube
    © 2026 Shomayer Shangbad. Designed by MD ROBIN MIA.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.