Close Menu
সময়ের সংবাদ
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    Facebook X (Twitter) Instagram
    সময়ের সংবাদ
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    সময়ের সংবাদ
    Home»জাতীয়»যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় না থাকায় কতটা ক্ষতি হবে বাংলাদেশের
    জাতীয়

    যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় না থাকায় কতটা ক্ষতি হবে বাংলাদেশের

    MisuBy Misu25 January, 2026No Comments5 Mins Read
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Email

    ডেস্ক নিউজঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকেও যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে তার প্রভাব কেমন হবে এ নিয়ে নানা ধরনের বিশ্লেষণ করছেন স্বাস্থ্য খাতের বিশেষজ্ঞরা। এর আগে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল ছাড়াও ৬৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ স্বাস্থ্য খাতের যেসব বিষয়ে সাফল্য অর্জন করেছে তার অধিকাংশেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে ডব্লিউএইচও। তবে যুক্তরাষ্ট্র সংস্থাটি থেকে সরে যাওয়ার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার আগেই বাংলাদেশে সংস্থাটির কার্যক্রম কাটছাঁট হওয়া শুরু হয়েছে।

    এর ফলে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি, সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, ইমার্জেন্সি রেসপন্স এবং ল্যাবরেটরি সাপোর্টের মতো স্বাস্থ্যখাতের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোর কার্যক্রম সংকুচিত হয়ে পড়ার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মুশতাক হোসেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক বে-নজির আহমেদ বলছেন, সম্ভাব্য সংকট এড়াতে দ্রুত রাজনৈতিক দলগুলোকে এদিকে দৃষ্টি দেওয়া উচিত, যাতে করে যারাই সরকারে আসুক তারা যেন বিকল্প অর্থায়ন কিংবা স্বাস্থ্য খাতের প্রয়োজনীয় অভ্যন্তরীণ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে পারেন।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জাতিসংঘেরই একটি বিশেষায়িত সংস্থা এবং এটি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়ন ও দক্ষ স্বাস্থ্য কর্মী তৈরিসহ বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের সব ক্ষেত্রেই বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা দিয়ে আসছিল।

    এর আগে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপি) থেকেও যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ট্রাম্প। সংস্থাটি বাংলাদেশসহ ১৫০টির বেশি দেশে পরিবার পরিকল্পনা এবং মা ও শিশুস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে আসছে।

    উভয় সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়া এখন কার্যকর হলেও দেশটি প্রায় এক বছর আগে থেকে তহবিল যোগান বন্ধ করে দিয়েছিল।

    প্রসঙ্গত, ১৯৪৮ সালে বৈশ্বিক এ সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র এ থেকে বেরিয়ে গেল। ইতোমধ্যেই দেশটি ডব্লিউএইচও’র সব তহবিল বন্ধ করে দিয়েছে। তবে বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে থাকা রোহিঙ্গাদের জন্য স্বাস্থ্য খাতের প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

    বাংলাদেশে যে প্রভাব পড়তে পারে

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় অন্যতম বড় তহবিল যোগানদাতার ভূমিকা পালন করে আসছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু সংস্থাটি থেকে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার পর জাতিসংঘ বলেছে, ভাইরাসসহ বিভিন্ন রোগ সংক্রমণ রোধে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জরুরি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হলো তেমনি একটি জায়গা।

    ডব্লিউএইচওর প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসাস ইতোমধ্যেই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সদস্যপদ বাতিল করলে তহবিল সংকটে পড়বে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আর এ ঘাটতি মোকাবিলা করতে ইতোমধ্যে বেশ কিছু কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    মুশতাক হোসেন বলছেন, বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্যের সব বিষয়ের সাথেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্পৃক্ত এবং অর্থায়ন থেকে শুরু করে গবেষণা সহায়তা পর্যন্ত সব ধাপেই তাদের সহায়তা পেয়ে অনেকগুলো ক্ষেত্রেই সফল হয়েছে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত।

    ফলে এখন যুক্তরাষ্ট্রের তহবিল বন্ধ হয়ে গেলে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্যর কর্মসূচি বা সহায়তা বাংলাদেশে কমে গেলে তার নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা আছে অনেকের মধ্যে।

    গত বছর অক্টোবরে বাংলাদেশে যে প্রায় পাঁচ কোটি শিশুকে বিনামূল্যে টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হয়েছে তাতেও বড় ভূমিকা ছিল জাতিসংঘের এই সংস্থাটির। টাইফয়েড প্রতিরোধী এই টিকাটি বাংলাদেশ পেয়েছিল পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন সহায়তা সংস্থা গ্যাভির মাধ্যমে।

    এর আগে ২০২৩ সালে বাংলাদেশ সরকার, ইউনিসেফ, দ্য ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স – গ্যাভি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় জরায়ুমুখ ক্যান্সারের অন্যতম কারণ হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস (এইচপিভি) এর প্রতিষেধক টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছিল।

    তখন ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুসহ প্রায় এক কোটিরও বেশি মেয়েকে বিনামূল্যে এই এইচপিভি টিকা দেওয়ার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল।

    এছাড়া বৈশ্বিক এই সংস্থাটি কোভিড মহামারির সময়ে বাংলাদেশকে অল্প সময়ের মধ্যে ভ্যাকসিন পাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা করেছিল। পাশাপাশি এ ধরনের মহামারিতে করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা তৈরির ক্ষেত্রেও এর ভূমিকা ছিল বলে জানান জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

    বিশেষ করে এর মহামারি ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রিপেয়ার্ডনেস প্রোগ্রাম বাংলাদেশকে এ বিষয়ে দক্ষতা বাড়ানোয় সহায়তা করে, যা কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজে লেগেছে বলে জানান মুশতাক হোসেন।

    মহামারি বা রোগ সম্পর্কে গাইডলাইন, উপকরণ ও পরিকল্পনা এমনকি জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছ থেকে উপকৃত হয়েছে বাংলাদেশ, বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।

    বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে ২০২৫ সালের শুরুতে সংক্রামক ও অসংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধ, ভ্যাকসিন প্ল্যান্ট স্থাপন ও ভ্যাকসিন তৈরি, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কমিউনিটি ক্লিনিককে জনস্বাস্থ্য সেবার মূল কেন্দ্রে রেখে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের জন্য স্বাস্থ্য খাতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আরো সহায়তা চাওয়া হয়েছিল।

    এর আগে বাংলাদেশের অন্যতম সফল স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মসূচি হিসেবে পরিচিত সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ থেকে পোলিও, ফাইলেরিয়া ও কালাজ্বর নির্মূলে কারিগরি সহায়তা দেওয়া ছাড়াও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হাম, কনজেনিটাল রুবেলা সিনড্রোম নির্মূলের জন্য টিকাদান কর্মসূচিতে সহায়তা দিয়ে আসছিল।

    ফাইলেরিয়াসিস ও কালাজ্বর বাংলাদেশ থেকে দূর হয়েছে বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশকে সনদ দিয়েছে এবং টিবি প্রিভ্যালেন্স সার্ভে এবং মিজেলস্ কেস ফ্যাটালিটি স্টাডিতে সহায়তা করেছে।

    অর্থাৎ কয়েক দশক ধরেই বাংলাদেশ ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মা, কালাজ্বর, ফাইলেরিয়া, নিপাহ, বার্ড ফ্লু, অসংক্রামক ব্যাধি, মাতৃস্বাস্থ্য-শিশুস্বাস্থ্য, পয়জনিং মেডিকেল এডুকেশনসহ বিভিন্ন বিষয়ে কারিগরি সহায়তা পেয়ে আসছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছ থেকে।

    প্রায় ৫০ বছর ধরে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিষয়ক সাফল্যগুলোতে এই সংস্থাটির ভূমিকা আছে। উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স তাদের বড় অবদান। যেসব রোগ নির্মূল হয়েছে কিংবা নির্মূলের পথে সেগুলোকে কেন্দ্র করে নেওয়া কর্মসূচি এখন তহবিলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলে এসব রোগ ফিরে আসার আশংকার পথ তৈরি হতে পারে, বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন স্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক পরিচালক বে-নজির আহমেদ।

    মুশতাক হোসেন বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের তহবিল কমে আর প্রভাব এর মধ্যেই বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কার্যক্রম সংকুচিত হলে পাবলিক হেলথ, ইমার্জেন্সি রেসপন্স ও ল্যাবরেটরি সাপোর্ট ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

    জরুরি জনস্বাস্থ্যের সব খাতেই অর্থ কমে যাচ্ছে। সম্প্রসারিত টিকাদান, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও রোগ গবেষণার বাজেট কাটছাঁট হচ্ছে, যা চিন্তার বিষয় হবে বাংলাদেশের জন্য,” বিবিসি বাংলাকে বলেছেন বে-নজির হোসেন।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর এখনই এ বিষয়ে দৃষ্টি দেওয়া জরুরি, যাতে করে নতুন সরকার স্বাস্থ্য খাতের অভ্যন্তরীণ বরাদ্দ বাড়িয়ে ডব্লিউএইচও থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সরে যাওয়া সংক্রান্ত কারণে সৃষ্ট সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলার পাশাপাশি স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিতে পারে।

    প্রসঙ্গত, গত বছর দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর হোয়াইট হাউসে প্রথম দিনই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য নির্বাহী আদেশে সই করেছিলেন ট্রাম্প, যা বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়া শেষে প্রায় এক বছর পর এটি কার্যকর হলো।

    গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ (এইচএইচএস) এবং পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, ইতোমধ্যে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, রোগ পর্যবেক্ষণ, রোগনির্ণয় এবং প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Misu
    • Website

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Latest Posts

    পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন সেনাপ্রধান

    25 March, 2026

    শিশুদের জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন বিশ্ব গড়ার আহ্বান: ওয়াশিংটনে গ্লোবাল সামিটে ডা. জুবাইদা রহমান

    25 March, 2026

    স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাক টিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    25 March, 2026

    সম্পাদক প্রকাশক: আশিকুর রহমান মিঠু
    ফোনঃ 01772666086
    E-mail: Shomayershangbad@gmail.com

     

    প্রধান কার্যালয়ঃ ৫১৬/২ ই-সি-বি চত্বর ৭১ টাওয়ার 

    Facebook X (Twitter) Instagram Vimeo YouTube
    © 2026 Shomayer Shangbad. Designed by MD ROBIN MIA.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.