Close Menu
সময়ের সংবাদ
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    Facebook X (Twitter) Instagram
    সময়ের সংবাদ
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    সময়ের সংবাদ
    Home»অপরাধ ও দুর্নীতি»নারী প্রকৌশলীদের বদলি নিতে বাধ্য হওয়ার অভিযোগ
    অপরাধ ও দুর্নীতি

    নারী প্রকৌশলীদের বদলি নিতে বাধ্য হওয়ার অভিযোগ

    MisuBy Misu31 January, 2026No Comments3 Mins Read
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Email

    বিশেষ প্রতিবেদকঃ গণপূর্ত অধিদপ্তরের কাঠের কারখানা স্পেশাল ইউনিটে দীর্ঘদিন ধরে চলা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, আলোচিত বদলির পরও এই ইউনিটে গড়ে ওঠা একটি শক্তিশালী ফার্নিচার সিন্ডিকেট কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এই সিন্ডিকেটের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, যাঁর বিরুদ্ধে সরকারি প্রকল্প নিয়ন্ত্রণ করে শতকোটি টাকার কাজ বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

    ভুক্তভোগী ঠিকাদারদের ভাষ্য অনুযায়ী, জাহাঙ্গীর আলম দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দরপত্র ব্যবস্থাকে কার্যত নিয়ন্ত্রণে নেন। প্রকল্পের এস্টিমেট তৈরি হওয়ার পর নির্দিষ্ট কয়েকজন ঠিকাদার ও ফার্নিচার প্রতিষ্ঠানের কাছে গোপনে রেট-কোড সরবরাহ করা হতো। এর বিনিময়ে আগেভাগেই ৩ থেকে ৪ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ নেওয়া হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে কাগজে-কলমে দরপত্র প্রক্রিয়া চালু থাকলেও বাস্তবে কাজ পেতেন কেবল পূর্বনির্ধারিত প্রতিষ্ঠানগুলো।

    যেসব সাধারণ লাইসেন্সধারী ঠিকাদার নিয়ম মেনে দরপত্রে অংশ নিতেন, তারা একের পর এক প্রকল্প থেকে বাদ পড়তেন। অনেককে “পরের কাজ দেওয়া হবে” বলে মাসের পর মাস ঘুরিয়ে রাখা হতো। কেউ কেউ অগ্রিম টাকা দিয়েও কাজ না পেয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। আবার কেউ কাজ পেলে তাকেও বাধ্য করা হতো নির্দিষ্ট ফার্নিচার কোম্পানি থেকে মালামাল নিতে অথবা কাজের বড় অংশ সাব-কন্ট্রাক্ট দিতে। নির্দেশ অমান্য করলে বিল আটকে দেওয়া বা চুক্তি বাতিলের মৌখিক হুমকির অভিযোগও রয়েছে।

    অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, “ফার্নিচার কনসেপ্ট এন্ড ইন্টেরিয়র লিমিটেড” নামের একটি প্রতিষ্ঠান গত দুই অর্থবছরে অস্বাভাবিক পরিমাণ সরকারি কাজ পেয়েছে। নথি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি ২০২৫/১৩ নং লটে ৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বেশি, ২০২৫/৩ ও ২০২৫/৪ নং লটে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা করে কাজ পায়, যা মডেল মসজিদ প্রকল্পের আসবাবপত্র সরবরাহ ও স্থাপন সংক্রান্ত। এছাড়া রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, শহীদ নায়েব সুবেদার আশরাফ আলী খান বীরবিক্রম লাইব্রেরি এবং পাবলিক লাইব্রেরী বহুমুখী ভবনেও কোটি টাকার কাছাকাছি কাজ প্রতিষ্ঠানটি পেয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েকটি প্রকল্পে ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই ফার্নিচার সরবরাহের চুক্তি ও বিল পরিশোধ করা হয়েছে, যা সরকারি ক্রয় বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আরও অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর ছাড়াই বিল ছাড় করা হয়েছে। একাধিক প্রকৌশলী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, তারা স্বাক্ষর না দিলেও ঊর্ধ্বতন চাপের কারণে বিল পাস হয়ে গেছে।

    একই সময়ে আকতার ফার্নিচারস, নদীয়া ফার্নিচার ও হাতিলসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও বড় অঙ্কের কাজ পেয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এসব প্রতিষ্ঠান সিন্ডিকেটের সঙ্গে সমন্বয় করেই কাজ বণ্টনের সুবিধা পেয়েছে। এর ফলে সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্টসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন মানসম্পন্ন কাজ করা অনেক অভিজ্ঞ ঠিকাদার এখন কার্যত কাজবঞ্চিত।

    জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে, অতীতে অন্য বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে এপিপি প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে বেনামী ঠিকাদারি ও অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব ব্যবহার করে তিনি বারবার গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে ফিরে আসতে সক্ষম হয়েছেন। যদিও সর্বশেষ রাজশাহীতে বদলির পর ঢাকায় ফেরার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে জানা গেছে।

    এদিকে অফিসের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ নিয়েও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। একাধিক সূত্র জানায়, নারী সহকর্মীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন ছিল। কয়েকজন নারী প্রকৌশলী দায়িত্বকাল শেষ হওয়ার আগেই বদলি নিয়েছেন বলেও তথ্য পাওয়া গেছে।

    গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র জানিয়েছে, স্পেশাল ইউনিটে সংঘটিত অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অভ্যন্তরীণ তদন্তের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো হতে পারে।

    অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে যুক্ত করা হবে।

    সব মিলিয়ে সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের এই ইউনিট আবারও একটি সীমিত গোষ্ঠীর লুটপাটের কেন্দ্রে পরিণত হবে, যেখানে সরকারি অর্থের অপচয় এবং যোগ্য ঠিকাদারদের পেশা হারানো অব্যাহত থাকবে।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Misu
    • Website

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Latest Posts

    পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন সেনাপ্রধান

    25 March, 2026

    শিশুদের জন্য নিরাপদ ও বৈষম্যহীন বিশ্ব গড়ার আহ্বান: ওয়াশিংটনে গ্লোবাল সামিটে ডা. জুবাইদা রহমান

    25 March, 2026

    স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাক টিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    25 March, 2026

    সম্পাদক প্রকাশক: আশিকুর রহমান মিঠু
    ফোনঃ 01772666086
    E-mail: Shomayershangbad@gmail.com

     

    প্রধান কার্যালয়ঃ ৫১৬/২ ই-সি-বি চত্বর ৭১ টাওয়ার 

    Facebook X (Twitter) Instagram Vimeo YouTube
    © 2026 Shomayer Shangbad. Designed by MD ROBIN MIA.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.