Skip to content
Close Menu
সময়ের সংবাদ
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    Facebook X (Twitter) Instagram
    সময়ের সংবাদ
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    সময়ের সংবাদ
    Home»আন্তর্জাতিক»‘এআই’ দিয়ে তালিকা বানিয়ে ছুটিতে থাকা কর্মীদের ছাঁটাইয়ের অভিযোগ, মেটার বিরুদ্ধে মামলা
    আন্তর্জাতিক

    ‘এআই’ দিয়ে তালিকা বানিয়ে ছুটিতে থাকা কর্মীদের ছাঁটাইয়ের অভিযোগ, মেটার বিরুদ্ধে মামলা

    MisuBy Misu17 July, 2026No Comments4 Mins Read
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Email

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে বেছে বেছে কর্মী ছাঁটাইয়ের অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম জায়ান্ট মেটার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ডজনখানেক কর্মী। তাঁদের অভিযোগ, মাতৃত্বকালীন বা অসুস্থতাজনিত ছুটির আবেদন করার পরই মেটার এআই প্রযুক্তি তাঁদের বিশেষভাবে নিশানা করে ছাঁটাই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।

    গত সোমবার ক্যালিফোর্নিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় জেলা ফেডারেল আদালতে এই মামলা করা হয়। এতে মেটার চলতি বছরের শুরুর দিকের কর্মী ছাঁটাইয়ের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপের মূল প্রতিষ্ঠান হলো মেটা। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ছাঁটাইয়ের জন্য নির্দিষ্ট কর্মী বেছে নিতে প্রতিষ্ঠানটি অভ্যন্তরীণ ‘এআই ব্যবস্থার একটি সমাহার’ ব্যবহার করেছে। এর মধ্যে এআইভিত্তিক কাজের রেটিং ও কর্মীদের কি–বোর্ড ব্যবহার ও সক্রিয়তা নজরদারির তথ্য অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    আদালতের ৭১ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ‘কর্মীদের কাজ সম্পর্কে জানেন, এমন ব্যবস্থাপকদের চুলচেরা বিশ্লেষণের মাধ্যমে মেটা এই ছাঁটাইয়ের তালিকা তৈরি করেনি।’ মামলার বাদী ২৬ কর্মী অভিযোগ করেছেন, মেটা এআই ব্যবস্থার মাধ্যমে কর্মীদের ‘স্কোর, র‍্যাঙ্কিং ও বাছাই করে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে’।

    মামলার বাদী কর্মীরা ছাঁটাইয়ের প্রক্রিয়াটি চূড়ান্ত করার আগেই তা বন্ধ করতে আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনা চেয়েছেন। পাশাপাশি তাঁরা চাকরি পুনর্বহাল, বকেয়া বেতন, ক্ষতিপূরণ ও অন্যান্য সুযোগ–সুবিধা ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

    কর্মক্ষেত্রে এআই প্রযুক্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কর্মীরা এখন পক্ষপাতিত্ব, গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও আস্থার সংকটের মতো বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলছেন। নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোও এ ধরনের প্রযুক্তির আইনি বৈধতা খতিয়ে দেখছে। এআইয়ের পক্ষপাত ও ‘স্বয়ংক্রিয় সিদ্ধান্ত’ থেকে কর্মীদের রক্ষা করতে আইন পাস করেছে ক্যালিফোর্নিয়া, কলোরাডো, ইলিনয়সহ যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্য। বিগত কয়েক বছরের মধ্যে তারা এই আইন বা বিধিমালা কার্যকর করেছে।

    মেটার বিরুদ্ধে করা মামলায় বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির এআই প্রযুক্তি কর্মীদের কাজের মূল্যায়ন ও উৎপাদনশীলতার ওপর নজর রাখে। কিন্তু কোনো কর্মী যখন মাতৃত্বকালীন বা অসুস্থতাজনিত ছুটিতে থাকেন, তখন সিস্টেমে এই তথ্যগুলো জমা হয় না। এ ছাড়া শারীরিকভাবে অক্ষম কর্মীদের ক্ষেত্রেও এই মূল্যায়নের মান কমে যায়।

    অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘এর ফলে যাঁরা ছুটি নিয়েছিলেন, তাঁদের ছাঁটাই করার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে গিয়েছিল। এআই প্রযুক্তির এই স্কোরিংয়ের ব্যবস্থা ছুটি কাটানোর বিষয়টিকে বিবেচনায় তো নেয়নি, উল্টো আইনি অধিকার প্রয়োগ করার জন্য কার্যত তাঁদের শাস্তি দিয়েছে।’

    মামলার বাদী বিজ্ঞানীদের একজন সন্তান প্রসবের আগে ছুটিতে ছিলেন। সন্তান জন্ম দেওয়ার মাত্র দুই দিন আগে তিনি ছাঁটাইয়ের নোটিশ পান। আরেক বাদী পেশায় প্রকৌশলী। তিনি চোটের কারণে ছুটি নেওয়ায় মেটার সিস্টেমে তাঁর ‘রেটিং কমে গিয়েছিল’। এ ছাড়া অসুস্থতাজনিত ছুটিতে থাকা এক ব্যবস্থাপক জানান, ছুটি শুরুর মাত্র ১৬ দিনের মাথায় তাঁকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

    মেটার এক মুখপাত্র অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। দ্য গার্ডিয়ানকে পাঠানো এক ই–মেইলে তিনি বলেন, ‘এসব দাবির কোনো ভিত্তি নেই এবং এগুলোয় কোনো সত্যতা নেই।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘কর্মী ব্যবস্থাপনা ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্তগুলো মানুষের মাধ্যমেই নেওয়া হয়েছে। এখানে এআই কাজ করেনি।’

    মেটা চলতি বছরের শুরুর দিকে কর্মীদের ওপর নজরদারি করার এআই প্রোগ্রাম চালু করে। মূলত কর্মীরা কম্পিউটারের কোন বোতাম চাপছেন, মাউসের ব্যবহার কেমন, কোন ব্রাউজার ব্যবহার করছেন—সবই ট্র্যাক করা এই প্রোগ্রামের লক্ষ্য ছিল। পাশাপাশি অফিসের ডিভাইসে পাঠানো বার্তা, ই–মেইল ও ব্যবহারকারীর অবস্থানও এটি পর্যবেক্ষণ করতে পারত।

    মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ জানান, কর্মীদের কাজের ধরন বিশ্লেষণ করে কোম্পানির এআই ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার উদ্দেশ্যেই এটি করা হয়েছিল।

    প্রযুক্তিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইনফরমেশন’–এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেটার একটি অভ্যন্তরীণ সভায় মার্ক জাকারবার্গ এ বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমাদের এআই মডেলগুলো অত্যন্ত মেধাবী মানুষের কাজ দেখে শেখে।’ তিনি আরও বলেন, ‘অন্য সাধারণ কর্মীদের তুলনায় এই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের গড় বুদ্ধিমত্তা অনেক বেশি।’

    মামলায় দাবি করা হয়েছে, কর্মীদের সম্মতি ছাড়াই অত্যন্ত গোপনে মেটা এই নজরদারি ব্যবস্থা চালু করেছিল। জ্যেষ্ঠ কোনো কর্মকর্তার পরিবর্তে সাধারণ একজন প্রকৌশলীর মাধ্যমে একটি কম গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ পোস্ট দিয়ে কর্মীদের বিষয়টি জানানো হয়। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বেশ কিছু টিমের কর্মীদের কোনো পূর্বানুমতি নেওয়ার চেষ্টা করা হয়নি। এমনকি প্রথম দিকে এই নজরদারি এড়ানোর কোনো সুযোগও (অপট–আউট) কর্মীদের দেওয়া হয়নি।

    গত কয়েক মাসে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কর্মীদের ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত জুনে মার্ক জাকারবার্গ এই নজরদারি প্রকল্প সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষণা দেন। কোম্পানির ১ হাজার ৬০০–এর বেশি কর্মী একটি গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করেছিলেন। যেখানে তাঁরা অভিযোগ তোলেন, এই কর্মসূচি তাঁদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন করেছে।

    সোমবারের মামলায় বাদীদের আইনজীবীরা মেটার এআই প্রযুক্তিগুলোর ওপর তাৎক্ষণিকভাবে একটি স্বাধীন নিরীক্ষার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, এই নিরীক্ষা হলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। কেন ছুটিতে থাকা বা বিশেষ সুযোগ–সুবিধা পাওয়া ২৬ কর্মীকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল, তা জানা যাবে। এক ই–মেইল বার্তায় আইনজীবীরা জানিয়েছেন, ‘মেটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কর্মী ছাঁটাইয়ের মূল প্রক্রিয়াটি গোপন রেখেছে।’

    আইনজীবীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চাকরিচ্যুত কর্মীদের প্রত্যেকেই ২২ জুলাই পর্যন্ত মেটার তালিকাভুক্ত কর্মী হিসেবে বহাল থাকবেন। এরপর তাঁদের বরখাস্ত করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত রূপ নেবে। তবে মেটা যেন কোনো প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নিতে না পারে, সে বিষয়ে আইনজীবীরা সতর্কতা চেয়েছেন। তাঁরা আবেদন করেছেন, যেন বাদীদের পরিচয় গোপন রাখা হয়। এ ছাড়া বিষয়টির আইনি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কর্মীদের বহাল রাখার নির্দেশ চেয়েছেন।

    আইনজীবীরা বলেন, ‘একবার ছাঁটাই চূড়ান্ত হয়ে গেলে এর ক্ষতি আর পূরণ করা যাবে না।’ গর্ভাবস্থায় বা প্রসবের পর কর্মীরা যে স্বাস্থ্যবিমা পেতেন, তা চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। নির্দিষ্ট মেয়াদের ছুটির অধিকার বাতিল হবে। তাঁদের শেয়ারের অধিকার কেড়ে নেওয়া হবে। এমনকি অভিবাসনের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে এটি।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Misu
    • Website

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Latest Posts

    নৌবাহিনীর নতুন প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম

    17 July, 2026

    ‘এআই’ দিয়ে তালিকা বানিয়ে ছুটিতে থাকা কর্মীদের ছাঁটাইয়ের অভিযোগ, মেটার বিরুদ্ধে মামলা

    17 July, 2026

    বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া তৈরির জন্য বিএসএফকে ১০০০ একর জমি দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার

    17 July, 2026

    সম্পাদক প্রকাশক: আশিকুর রহমান মিঠু
    ফোনঃ 01772666086
    E-mail: Shomayershangbad@gmail.com

     

    প্রধান কার্যালয়ঃ ৫১৬/২ ই-সি-বি চত্বর ৭১ টাওয়ার 

    Facebook X (Twitter) Instagram Vimeo YouTube
    © 2026 Shomayer Shangbad. Designed by MD ROBIN MIA.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.