Skip to content
Close Menu
সময়ের সংবাদ
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    Facebook X (Twitter) Instagram
    সময়ের সংবাদ
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    সময়ের সংবাদ
    Home»আন্তর্জাতিক»ছেলের সাবেক বাগদত্তা রাষ্ট্রদূতকে কেন বরখাস্ত করতে চাইছেন ট্রাম্প?
    আন্তর্জাতিক

    ছেলের সাবেক বাগদত্তা রাষ্ট্রদূতকে কেন বরখাস্ত করতে চাইছেন ট্রাম্প?

    MisuBy Misu12 October, 2026No Comments3 Mins Read
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Email

    আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ গ্রিসে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত কিম্বার্লি গিলফয়েলকে বরখাস্ত করার কথা বিবেচনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার বিরুদ্ধে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পর এ বিষয়ে ভাবছেন ট্রাম্প।

    বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এক ব্যক্তির বরাত দিয়ে রবিবার এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

    গিলফয়েল মার্কিন প্রেসিডেন্টের জ্যেষ্ঠ ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের সাবেক বাগদত্তা। প্রায় চার বছর তাদের বাগদান ছিল। রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় গিলফয়েল বিলাসবহুল উপহার গ্রহণ করেছেন এবং মার্কিন প্রশাসনের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ চেয়েছেন- এমন অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এসব প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণ করছেন ট্রাম্প।

    প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্যে এ ঘটনায় অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও যখন গ্রিসের রাজধানী এথেন্স সফরে ছিলেন, তখনই অভিযোগগুলো সামনে আসে। ওই সফরে তিনি এথেন্সের অ্যাক্রোপলিস থেকে পশ্চিমা গণতন্ত্র নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেন।

    বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ওই ব্যক্তির ভাষ্য, গিলফয়েলকে বরখাস্ত করা হবে কি না, সে বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন ট্রাম্প। তবে অভিযোগ সামনে আসার পরও তার পক্ষে প্রকাশ্যে জোরালো অবস্থান নেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    শুক্রবার সিএনএনের পক্ষ থেকে অভিযোগগুলো নিয়ে জানতে চাওয়া হলে ট্রাম্প বলেন, “আমি বিষয়টি সম্পর্কে এইমাত্র শুনেছি। এটা দুঃখজনক।”

    তিনি আরও বলেন, “আমি এ সম্পর্কে সামান্যই শুনেছি। বিস্তারিত কিছু জানি না। তবে তিনি সব সময়ই আমার সঙ্গে খুব ভালো আচরণ করেছেন।”

    এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে সিএনএন।

    এক লাখ ডলার চাওয়ার অভিযোগ
    গিলফয়েলের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের বিষয়ে সিনেটে অনুমোদন পাওয়ার ঠিক আগে তিনি সাবেক ট্রাম্প-সমর্থক এরিক ডিটার্সের কাছে এক লাখ ডলার চেয়েছিলেন।

    ডিটার্সের দাবি, সিনেটে গিলফয়েলের নিয়োগ নিশ্চিত হওয়ার কয়েক দিন আগে তিনি তাকে একটি খুদে বার্তা পাঠান। সেখানে আমেরিকান এক্সপ্রেসের একটি ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া পরিশোধের জন্য এক লাখ ডলার পাঠাতে বলা হয়েছিল। তবে সে সময় হাতে পর্যাপ্ত নগদ অর্থ না থাকায় ডিটার্স শেষ পর্যন্ত তাকে ওই অর্থ পাঠাননি।

    ঘটনাটি নিয়ে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে ওই বার্তাগুলোর কথা উঠে আসে। গিলফয়েলের আইনজীবী পত্রিকাটিকে জানিয়েছেন, বার্তাগুলোর সত্যতা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন তার মক্কেল।

    বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ওই ব্যক্তির ভাষ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কাছেও গিলফয়েল দাবি করেন, তিনি ওই বার্তাগুলো পাঠাননি।

    অর্থ চাওয়ার অভিযোগ এবং বার্তাগুলোর সত্যতা নিয়ে বিরোধের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য সিএনএনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনও স্পষ্ট নয়।

    ট্রাম্প পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা
    ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরও ট্রাম্প পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রেখেছেন গিলফয়েল। পরে তাকে গ্রিসে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

    ট্রাম্প ও তার ছেলের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন ব্যক্তি সিএনএনকে বলেছেন, পুরো ঘটনাটি তাদের জন্য বিব্রতকর। তবে অভিযোগের পরিণতিতে গিলফয়েলের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা এখনও পরিষ্কার নয়।

    ট্রাম্প এর আগে একাধিকবার স্পষ্ট করেছেন, তার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে কেউ আর্থিক সুবিধা নিলে তিনি তা পছন্দ করেন না। গিলফয়েলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ক্ষেত্রে এই অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

    আগাম বিচার করতে চান না ভ্যান্স
    শুক্রবার এ বিষয়ে কথা বলেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও। গিলফয়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত কি না, সে বিষয়ে সরাসরি কোনও সিদ্ধান্তমূলক মন্তব্য করেননি তিনি। তার বক্তব্য, জনমতের আদালতে কাউকে বিচার করার চেষ্টা করতে চান না।

    তবে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ নেওয়ার বিষয়ে নিজের অস্বস্তির কথা স্পষ্ট করেছেন ভ্যান্স।

    তিনি বলেন, “অবশ্যই অন্য কোনও সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে কাউকে অর্থ নিতে দেখলে আমি তা পছন্দ করব না। বিশেষ করে সেই কর্মকর্তা যদি সরকারের উচ্চপর্যায়ের কেউ হন।”

    ভ্যান্স আরও বলেন, “সত্যটা কী, তা দেখা যাক। আর সত্যিই যদি খারাপ কিছু ঘটে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবশ্যই তার পরিণতি ভোগ করতে হবে।”

    গিলফয়েলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত বা পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিস্তারিত এখনও জানা যায়নি। ট্রাম্প তাকে বরখাস্ত করবেন কি না, তা নির্ভর করছে অভিযোগগুলো সম্পর্কে তার চূড়ান্ত মূল্যায়নের ওপর। সূত্র: সিএনএন

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Misu
    • Website

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Latest Posts

    যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলো ১ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন গম

    22 October, 2026

    সাভারে ভুল চিকিৎসায় ১১ বছর বয়সী শিশুর মৃত্যু, হাসপাতাল ভাঙচুর

    22 October, 2026

    সাজেকে ভ্রমণ সাময়িক বন্ধ ঘোষণা

    21 October, 2026

    সম্পাদক প্রকাশক: আশিকুর রহমান মিঠু
    ফোনঃ 01772666086
    E-mail: Shomayershangbad@gmail.com

     

    প্রধান কার্যালয়ঃ ৫১৬/২ ই-সি-বি চত্বর ৭১ টাওয়ার 

    Facebook X (Twitter) Instagram Vimeo YouTube
    © 2026 Shomayer Shangbad. Designed by MD ROBIN MIA.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.