Close Menu
সময়ের সংবাদ
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    Facebook X (Twitter) Instagram
    সময়ের সংবাদ
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    সময়ের সংবাদ
    Home»অপরাধ ও দুর্নীতি»দৌলতপুর কলেজে শিক্ষা কার্যক্রম ভেঙে পড়ার পেছনে দুর্নীতি ও দখল রাজনীতি
    অপরাধ ও দুর্নীতি

    দৌলতপুর কলেজে শিক্ষা কার্যক্রম ভেঙে পড়ার পেছনে দুর্নীতি ও দখল রাজনীতি

    MisuBy Misu19 May, 2026No Comments5 Mins Read
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Email

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বনামধন্য দৌলতপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বিধি মোতাবেক পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করতে শিক্ষা ছুটি নিয়ে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করার সুযোগে উপ অধ্যক্ষ আব্দুস সালামের নেতৃত্বে কলেজটি এখন ধ্বংসের মুখে। এমন বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর একটি তদন্তের আবেদন করা হয়েছে। যার উল্লেখ্য বিষয় কলেজের উপাধ্যক্ষ ও একটি স্বার্থান্বেষী মহলের নানাবিধ অনিয়ম, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ এবং প্রশাসনিক দুর্নীতির তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন। আবেদনটি করেছিলেন দৌলতপুর কলেজের একজন প্রাক্তন ছাত্র এবং সচেতন নাগরিক হিসেবে, মোঃ নাজমুল হাসান প্রাত্তন ছাত্র, দৌলতপুর কলেজ পিতা: মোঃ আরজত আলী গ্রাম: কলেজ মোড়, ডাকঘর: রিফাইতপুর উপজেলা: দৌলতপুর, জেলা: কুষ্টিয়া।

    যেখানে উল্লেখিত তদন্ত গুলোর মধ্যে ১. সরকারি সম্পদ লুণ্ঠন ও অর্থ আত্মসাৎ সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সমূহের মধ্যে গত ২৪/০১/২০২৫ খ্রি. তারিখ (শুক্রবার), সাপ্তাহিক ছুটির দিনে মহামান্য হাইকোর্ট কর্তৃক স্থগিতকৃত এডহক কমিটির সভাপতি মোঃ আলতাফ হোসেন এবং স্থানীয় সাবেক কৃষক লীগ নেতা মোঃ আরিফুল ইসলাম (নান্নু)-এর প্রভাবে উপাধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস ছালাম, মেঃ মাহফুজ আলম (বাবলু), সহকারী অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, স.ম সরওয়ার, সহকারী অধ্যাপক, পরিসংখ্যান বিভাগ এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের প্রদর্শক মোঃ জহুরুল আলম (সাবেক উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি) কোনো প্রকার সরকারি নিলাম ছাড়াই কলেজের ৫টি মূল্যবান গাছ কর্তন করেন। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা। এই অর্থ কলেজ তহবিলে জমা না দিয়ে তারা পরস্পর যোগসাজশে আত্মসাৎ করেছেন। যা কুষ্টিয়ার স্থানীয় পত্রিকাসহ প্রথম আলো, যুগান্তর ও বিভিন্ন অনলাইন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল।

    ২. দৌলতপুর কলেজে ৩ টি বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স, ১১ টি অনার্স কোর্স, ডিগ্রী (পাস) কোর্স, উচ্চমাধ্যমিক (মানবিক বিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা) এবং উচ্চ মাধ্যমিক (বিএমটি) শাখা চালু আছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং-৩৭,০০,০০০০,০৭২,৪৪,০৫,২২-১৮ (তারিখ: ০৯/০২/২০২৬ খ্রি.) অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের সকল আয় সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে বা নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে আদায়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু উপাধ্যক্ষ মহোদয় সরকারি নীতিমালা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কলেজের প্রাতিষ্ঠানিক হিসাব ব্যবহার না করে শিক্ষক মোঃ মাহফুজুল আলম ও স.ম সরওয়ারের নামে ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব নং (৩১৯৪০১০০৩৩২২৫, রূপালি ব্যাংক পিএলসি) খুলে ম্যানুয়ালি শিক্ষার্থীদের ফি ও অন্যান্য অর্থ সংগ্রহ করছেন, যা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং অর্থ আত্মসাতের সুস্পষ্ট অপকৌশল।

    ৩. বর্তমান উপাধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস ছালাম নিয়োগ পরীক্ষায় ২য় স্থান অর্জন করেও বিগত সরকারের রাজনৈতিক প্রভাবে অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। এছাড়া ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের প্রদর্শক মোঃ জহুরুল আলম এর প্রদর্শক পদ এমপিও নীতিমালায় না থাকার পরেও অনৈতিক ভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে এমপিওভুক্ত (যাহা বিভাগীয় তদন্ত হয় পরবর্তীতে প্রভাব বিস্তার করে তদন্ত রিপট বাস্তবায়েনে বাধা প্রদান করেন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগে পদের অতিরিক্ত (৩য় শিক্ষক) হিসেবে মোঃ মাহফুজুল আলম এবং পরিসংখ্যান বিভাগে (শুধুমাত্র এইচ, এস সি তে স্বকৃতী) অতিরিক্ত হিসেবে স.ম সরওয়ার এমপিও সুবিধা ভোগ করছেন, যা সরাসরি এমপিও নীতিমালার পরিপন্থী এবং রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থের অপচয়।

    ৪. উপাধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস ছালাম ও তার সহযোগী মেষ্ট জহুরুল আলম, মোঃ মাহফুজুল আলম (বাবলু), স.ম সরওয়ার এবং স্থানীয় কৃষক দলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম নান্নু কলেজে এক প্রকার ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। তারা সাধারণ শিক্ষক-কর্মচারীদের অনৈতিকভাবে হয়রানি ও অর্থ দাবি করে আসছেন। ফলে ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর থেকে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং ৪০০০ শিক্ষার্থীর এই কলেজে বর্তমানে ছাত্র সংখ্যা ১০০০-এর নিচে নেমে এসেছে। কিন্তু প্রতিদিন কলেজ সময়ে কোন ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিতি ও নিয়মিত ক্লাস হই না। অনেক শিক্ষক কলেজে এসে বাজার ঘুরে বেড়ায়, সঠিক সময়ে কলেজে উপস্থিত থাকে না। কলেজ সময়ে বিভিন্ন কাজে বাইরে অবস্থান করে।

    ৫. মহামান্য হাইকোর্ট কর্তৃক বৈধ সভাপতি নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও, স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তির বাঁধার কারণে অদ্যাবধি কলেজে প্রবেশ করতে পারছেন না। স্থানীয় কৃষক দলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম নান্নু এবং তাঁর একটি সহযোগী চক্রদের মধ্যে রয়েছেন উপাধ্যক্ষ মোঃ আব্দুস ছালাম, প্রদর্শক মেঃ জহুরুল আলম, মোঃ মাহফুজুল আলম (বাবলু) এবং স.ম সরওয়ার। এই চক্রটি সম্মিলিতভাবে কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আমানুল হককে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। যা আদালতের অবমাননা। মহামান্য হাইকোর্টের সুনির্দিষ্ট রায় ও নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও, তারা আইন অমান্য করে আরিফুল ইসলাম নাড়ুকে ‘অবৈধ সভাপতি’ হিসেবে বহাল রেখেছে। যা আর্থিক তছরুপ। এই চক্রটি কলেজের সাধারণ তহবিল ও উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ নিয়মবহির্ভূতভাবে ভাগ-বাটোয়ারা করে নিচ্ছে এবং তা কমিটির ব্যক্তিগত স্বার্থে খরচ করছে। বৈধ সভাপতিকে কলেজে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় প্রশাসনিক চেইন অফ কমান্ড ভেঙে পড়েছে। ফলে ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি আজ ফাংসের দ্বারপ্রান্তে। শিক্ষক-কর্মচারীদের নিরাপত্তাহীনতা কলেজের সাধারণ শিক্ষক বা কর্মচারীগণ এই অনিয়মের বিরুদ্ধে মুখ খুললেই তাদের ওপর নেমে আসে নানা প্রকার হয়রানি ও হুমকি। চক্রটির ভয়ে বর্তমানে কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে, যার ফলে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং উচ্চ আদালতের রায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং বৈধ সভাপতিকে সসম্মানে দায়িত্ব পালনের সুযোগ করে দেওয়া জরুরী বলে মনে করা হচ্ছে।

    এর আগে একটি তদন্তের জন্য আবেদন করা হয়েছিল তাতে ভূগোল বিষয়ের প্রদর্শক মোঃ জহুরুল আলম এর অবৈধ নিয়োগ, কলেজের শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অসদাচরণ ও কর্তব্যে অবহেলার প্রমান মেলে তদন্ত কমিটি এ বিষয়ে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও মোঃ জহুরুল আলমকে জিঙ্গাসাবাদ করলে তারা পূর্বের একটি নিয়োগ বোর্ডের কথা উল্লেখ করেন। কমিটি বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে পায় যে, ০৫/১১/১৯৯৭ তারিখে দৈনিক বাংলাদেশ বার্তায় অন্যান্য বিষয়ের সাথে ভূগোল বিষয়ের প্রদর্শক চেয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি দেয়া আছে এবং সে অনুযায়ী ২২/০৩/১৯৯৮ তারিখে একটি নিয়োগ বোর্ড গঠিত হয়। উক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মোঃ রেফাজ উদ্দিন প্রথম স্থান এবং মোঃ জহুরুল আলম দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন। নিয়োগ বোর্ড মোঃ রেফাজ উদ্দিনকে প্রদর্শক, ভূগোল পদে নিয়োগ দানের সুপারিশ করেন এবং উক্ত সুপারিশে আরো উল্লেখ করা হয় যে, প্রথম স্থান অধিকারী মোঃ রেফাজ উদ্দিন, প্রদর্শক, ভূগোল পদে যোগদান না করলে দ্বিতীয় স্থান অধিকারী মোঃ জহুরুল আলম-কে উক্ত পদে নিয়োগ দেয়া যাবে। কিন্তু তদন্তে দেখা যায় যে, মোঃ রেফাজ উদ্দিন ২২/০৯/১৯৯৮ তারিখে প্রদর্শক, ভুগোল, দৌলতপুর কলেজ, দৌলতপুর পদে যোগদান করেন এবং এপ্রিল ২০০১ পর্যন্ত চাকুরী করেন এবং সরকারি বেতন ভাতাদি উত্তোলন করেন। তার এমপিও ভুক্তির তারিখ মে/২০০০ এবং ইনডেক্স নং DEM-4194431। তদন্ত কমিটির মতামত অনুযায়ী মোঃ জহুরুল আলম-এর বিরুদ্ধে অন্যান্য যে সব অভিযোগ আনীত হয়েছে কমিটি তদন্তে তার যথেষ্ট প্রমাণাদি পেয়েছে যা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত বেসরকারি কলেজ শিক্ষকদের চাকুরীর শর্তাবলী রেগুলেশন (সংশোধিত) ২০১৫ এর ধারা ১৬ এবং উপধারা ১,৩,৫ ও ৬-এর পরিপন্থী।

    সাধারণ শিক্ষার্থী, স্থানীয় ও সচেতন মহলের দাবি কলেজটি তার আগের ধারায় ঐতিহ্য ফিরে পাবে। সেই সাথে যারা কলেজের এই দুরবস্থা সৃষ্টি করেছে তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূল শাস্তির দাবি জানিয়েছে তারা।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Misu
    • Website

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Latest Posts

    Ruleta con giros gratis en España: Todo lo que necesitas saber

    13 June, 2026

    Roulette with Live Dealer India from Real Casino

    13 June, 2026

    Ruleta móvil para Android para móviles: la emoción del casino en la palma de tu mano

    13 June, 2026

    সম্পাদক প্রকাশক: আশিকুর রহমান মিঠু
    ফোনঃ 01772666086
    E-mail: Shomayershangbad@gmail.com

     

    প্রধান কার্যালয়ঃ ৫১৬/২ ই-সি-বি চত্বর ৭১ টাওয়ার 

    Facebook X (Twitter) Instagram Vimeo YouTube
    © 2026 Shomayer Shangbad. Designed by MD ROBIN MIA.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.