Skip to content
Close Menu
সময়ের সংবাদ
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    Facebook X (Twitter) Instagram
    সময়ের সংবাদ
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    সময়ের সংবাদ
    Home»জাতীয়»৭ জেলায় পানিবন্দী লাখো পরিবার, মৃতের সংখ্যা ৫১
    জাতীয়

    ৭ জেলায় পানিবন্দী লাখো পরিবার, মৃতের সংখ্যা ৫১

    MisuBy Misu13 July, 2026No Comments3 Mins Read
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Email
    ডেস্ক নিউজঃ সাত জেলায় বন্যা ও পাহাড়ধসের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে বহু এলাকায় ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে, কোথাও আবার পাহাড়ধসে ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ তথ্যে এ দুর্যোগে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি লাখো মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবিক সংকটে রয়েছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ইতোমধ্যে ১০ লাখ অতিক্রম করেছে।
    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের (১২ জুলাই) প্রতিবেদন বলছে, রোববার দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বন্যাপ্লাবিত হয়েছে এসব জেলার ৫৯টি উপজেলা। বন্যায় পানিবন্দী পরিবার ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮টি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন।
    মন্ত্রণালয়ের হিসাবে বন্যা, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১। শনিবার মৃতের সংখ্যা ছিল ৪৪। এ দুর্যোগে সর্বোচ্চ ২৮ জন মারা গেছেন কক্সবাজারে। এর বাইরে চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬, রাঙামাটিতে ৩ ও মৌলভীবাজারে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
    দেশে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৫ জুলাই থেকে ভারী বর্ষণ শুরু হয়। ৫ জুলাই সকাল ৬টা থেকে গতকাল বেলা তিনটা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ১ হাজার ৩৫৪ দশমিক ৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ১৫১ দশমিক ৭ মিলিমিটার। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী দুই-তিন দিনও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। চট্টগ্রামের পর সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জেও বন্যা শুরু হয়।
    বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ প্রতীম বড়ুয়া বলেন, দেশের দক্ষিণ–পূর্বাঞ্চল অর্থাৎ চট্টগ্রাম অঞ্চলে এক দিনের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। এ ছাড়া সিলেট বিভাগের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হবে কি না, তা নির্ভর করছে বৃষ্টি কতটা হয় তার ওপর।

    চট্টগ্রাম অঞ্চলে একের পর এক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে; ভেঙেছে সড়ক, বিচ্ছিন্ন হয়েছে যোগাযোগ। কোথাও পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করেছে। কোথাও নতুন করে বাড়ছে। কোনো এলাকায় মানুষ ঘরে ফিরতে শুরু করলেও নৌকা ছাড়া চলাচলের উপায় নেই। কোথাও ত্রাণ পৌঁছাচ্ছে, কোথাও দুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছায়নি সহায়তা।

    দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ জনপদ এখনো কার্যত অবরুদ্ধ। বাঁশখালী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া ও চন্দনাইশের বহু গ্রামে কোথাও হাঁটু, কোথাও কোমরপানি নিয়ে মানুষ দিন কাটাচ্ছেন। বিশুদ্ধ পানির উৎস ডুবে থাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র সংকট। অনেক এলাকায় রান্না করা যাচ্ছে না। ভেঙে পড়া কাঁচা ঘর, নষ্ট হয়ে যাওয়া ফসল আর গবাদিপশুর ক্ষতি নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন মানুষ।

    সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলা। বাঁশখালী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীর অনেক এলাকায় এখনো ঘরের ভেতরে পানি। কোথাও কোথাও পানি কমলেও স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ হয়নি। কাঁচা ঘরের দেয়াল ধসে পড়েছে, নষ্ট হয়েছে খাদ্যশস্য। অধিকাংশ নলকূপ এখনো পানির নিচে থাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট প্রকট হয়ে উঠেছে।

    কক্সবাজারে বন্যার পানি কিছু এলাকায় কমলেও দুর্ভোগ কাটেনি। চকরিয়া, পেকুয়া, মাতামুহুরী, রামু ও সদরের বিস্তীর্ণ এলাকায় পানি রয়েছে। কোথাও বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকছে। মানুষ নৌকায় চলাচল করছেন।

    সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলা। বাঁশখালী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীর অনেক এলাকায় এখনো ঘরের ভেতরে পানি। কোথাও কোথাও পানি কমলেও স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ হয়নি। কাঁচা ঘরের দেয়াল ধসে পড়েছে, নষ্ট হয়েছে খাদ্যশস্য।

    পানি কমতে শুরু করায় তিন পার্বত্য জেলার বন্যার ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ক্রমেই সামনে আসছে। কোথাও গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কোথাও ধসে পড়েছে সেতু। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে আমন-আউশের বীজতলা, জুমখেত ও সবজিক্ষেত। আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে অনেকে বাড়ি ফিরলেও অনেক পরিবারের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে আরও সময় লাগবে।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Misu
    • Website

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Latest Posts

    তেলের সংকট নেই, গুজবে কান দেবেন না: পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন

    23 July, 2026

    তৃতীয় ভাসমান টার্মিনাল স্থাপন নিয়ে আগামী মাসের মধ্যেই সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রী

    23 July, 2026

    ইরানের পিকঅ্যাক্স পরমাণু কেন্দ্রে হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র?

    23 July, 2026

    সম্পাদক প্রকাশক: আশিকুর রহমান মিঠু
    ফোনঃ 01772666086
    E-mail: Shomayershangbad@gmail.com

     

    প্রধান কার্যালয়ঃ ৫১৬/২ ই-সি-বি চত্বর ৭১ টাওয়ার 

    Facebook X (Twitter) Instagram Vimeo YouTube
    © 2026 Shomayer Shangbad. Designed by MD ROBIN MIA.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.