Skip to content
Close Menu
সময়ের সংবাদ
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    Facebook X (Twitter) Instagram
    সময়ের সংবাদ
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    সময়ের সংবাদ
    Home»রাজধানী»রাজউকের পারমিট সেবায় ডিজিটাল গতি, ৭ মাসে প্রায় ১১ হাজার আবেদন
    রাজধানী

    রাজউকের পারমিট সেবায় ডিজিটাল গতি, ৭ মাসে প্রায় ১১ হাজার আবেদন

    NasimBy Nasim25 October, 2026No Comments5 Mins Read
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Email

    রাজধানীতে ভবন নির্মাণ ও ভূমি ব্যবহারের অনুমোদন প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) আওতাধীন আটটি জোনে প্লানিং পারমিট ও কনস্ট্রাকশন পারমিটের আবেদন এবং অনুমোদন কার্যক্রম শতভাগ অনলাইনে হওয়ায় সেবাগ্রহীতাদের দাপ্তরিক দৌড়ঝাঁপ অনেকটাই কমেছে।

    একইসাথে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি এবং আবেদনে কোনো ঘাটতি থাকলে মোবাইল ফোন বা ই-মেইলের মাধ্যমে তা জানানোর ব্যবস্থা চালু হওয়ায় সেবায় গতি ও স্বচ্ছতা বাড়ছে।

    রাজউকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাদের আটটি জোনে প্লানিং পারমিটের জন্য অনলাইনে মোট ৭ হাজার ৫৫টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৩৯৩টি আবেদন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে কনস্ট্রাকশন পারমিটের জন্য অনলাইনে ৩ হাজার ৯৩০টি আবেদন জমা পড়ে এবং এর মধ্যে ২ হাজার ৬০০টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ সাত মাসে দুই ধরনের পারমিটের জন্য মোট ১০ হাজার ৯৮৫টি আবেদন জমা পড়েছে এবং ৭ হাজার ৯৯৩টি আবেদন অনুমোদন পেয়েছে।

    রাজউক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্লানিং পারমিট নিষ্পত্তির জন্য ৩০ দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে কনস্ট্রাকশন পারমিটের আবেদন ২৪ দিনের মধ্যে বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন (বিসি) কমিটিতে উপস্থাপনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আবেদনকারীর দাখিল করা কাগজপত্র ও নকশা সঠিক থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আবেদন নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোনো কাগজপত্রে ঘাটতি বা আবেদনে ত্রুটি থাকলে তা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদনকারীকে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

    রাজউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু বলেন, অতীতে প্লানিং পারমিট ও কনস্ট্রাকশন পারমিট নিতে সেবাগ্রহীতাদের অনেক হয়রানির শিকার হতে হতো। এ জন্য বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে যেতে হতো এবং এক টেবিল থেকে আরেক টেবিলে ঘুরতে হতো। সেবাগ্রহীতাদের এ ভোগান্তি থেকে রক্ষা করতেই প্লানিং পারমিট ও কনস্ট্রাকশন পারমিট অনলাইনে দেওয়া হচ্ছে।

    তিনি বলেন, আগে এসব সেবা পেতে দীর্ঘ সময় লাগত এবং মানুষকে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়তে হতো। সেবাগ্রহীতাদের সুবিধার জন্য সময়সীমা কমিয়ে তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

    রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, নকশা অনুমোদন আগে থেকেই অনলাইনে দেওয়া হতো। তবে আগের সময়ে এর জন্য নির্ধারিত সময়সীমা ছিল না। বর্তমানে কনস্ট্রাকশন পারমিট ও প্লানিং পারমিট অনুমোদনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৪ দিনের মধ্যে বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন কমিটিতে আবেদন উপস্থাপনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে এবং বিষয়টি রাজউক মনিটর করছে।

    তিনি আরও বলেন, সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকেও অনলাইন সেবা নিয়ে ইতিবাচক ফিডব্যাক পাওয়া যাচ্ছে। তারা সেবা পাওয়ার বিষয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন। এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

    রাজউক চেয়ারম্যান জানান, রাজউকের সব ধরনের সেবা ডিজিটাইজেশনের আওতায় আনার জন্য কাজ চলছে। দরপত্র, এস্টেট কার্যক্রমসহ অন্যান্য কার্যক্রমও পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    রাজউকের পরিচালক (উন্নয়ন) প্রকৌশলী নূর-ই-খোদা জানান, মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্লানিং পারমিটের জন্য জোন-১ এ ১ হাজার ৫৯টি, জোন-২ এ ৭৯৭টি, জোন-৩ এ ১ হাজার ৩০টি, জোন-৪ এ ১ হাজার ৬৬৩টি, জোন-৫ এ ৫০৩টি, জোন-৬ এ ১ হাজার ১৭০টি, জোন-৭ এ ৪৮৩টি এবং জোন-৮ এ ৩৫০টি আবেদন জমা পড়েছে।

    এসব আবেদনের মধ্যে জোন-১ এ ৮৭৮টি, জোন-২ এ ৫৮৯টি, জোন-৩ এ ৭৪১টি, জোন-৪ এ ১ হাজার ৬০৯টি, জোন-৫ এ ৩০৫টি, জোন-৬ এ ৭৬৭টি, জোন-৭ এ ২২৮টি এবং জোন-৮ এ ২৭৬টি আবেদন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাকি আবেদনগুলো কাগজপত্রের ঘাটতি ও অন্যান্য প্রক্রিয়াগত কারণে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

    একই সময়ে কনস্ট্রাকশন পারমিটের জন্য জোন-১ এ ৭০৭টি, জোন-২ এ ৪১৩টি, জোন-৩ এ ৫২৬টি, জোন-৪ এ ১ হাজার ১৮৯টি, জোন-৫ এ ২২৯টি, জোন-৬ এ ৪৬১টি, জোন-৭ এ ১৮৮টি এবং জোন-৮ এ ২১৭টি আবেদন জমা পড়ে।

    এর মধ্যে জোন-১ এ ৪০১টি, জোন-২ এ ২২৫টি, জোন-৩ এ ৩৬৫টি, জোন-৪ এ ৭৫৩টি, জোন-৫ এ ৯৭টি, জোন-৬ এ ৪০৫টি, জোন-৭ এ ১৪৮টি এবং জোন-৮ এ ২০৬টি আবেদন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    রাজউকের পরিচালক (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ-১) মো. মনিরুল হক জানান, যেসব আবেদনে ত্রুটি বা কাগজপত্রের ঘাটতি রয়েছে, সেগুলো অনলাইনের মাধ্যমে আবেদনকারীর কাছে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। আবেদনকারী ঘাটতি পূরণ করে পুনরায় দাখিল করলে তা অনলাইনেই অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় যাচ্ছে। প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না হলে আবেদন বাতিল করা হচ্ছে।

    তবে রাজউকের পারমিট ব্যবস্থা অনলাইনে করা হলেও পুরো অনুমোদন প্রক্রিয়া এখনো ডিজিটাল হয়নি। নকশা অনুমোদনের পর ভবন নির্মাণকালীন তদারকির কাজ এখনো ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে করা হচ্ছে। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে নকশা অনুমোদনের আগে বিভিন্ন সরকারি সংস্থা থেকে অনাপত্তিপত্র বা এনওসি সংগ্রহ করতে হয়।

    ফায়ার সার্ভিস, সিভিল এভিয়েশন এবং কেপিআইডিসিসহ বিভিন্ন সংস্থা থেকে প্রয়োজনীয় অনাপত্তি নিতে হয়। এসব সংস্থার অনেক ক্ষেত্রেই অনাপত্তিপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া এখনো ম্যানুয়াল। ফলে রাজউকের নিজস্ব অনুমোদন ব্যবস্থা অনলাইন হলেও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ার কারণে পুরো অনুমোদন ব্যবস্থায় কাঙ্ক্ষিত গতি সবসময় পাওয়া যাচ্ছে না।

    রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে প্লানিং পারমিট ও নকশা অনুমোদনের ডিজিটাইজেশন কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৬ সালে। বিশ্বব্যাংকের আইএফসি অর্থায়নে প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল। প্রথমে শুধু জোন-৫, অর্থাৎ ধানমন্ডি এলাকায় ভূমি ব্যবহার সংক্রান্ত কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে শুরু করা হয়। পরবর্তীতে রাজউকের আওতাধীন আটটি জোনে এ কার্যক্রম বিস্তৃত হয়।

    তিনি বলেন, ঢাকা আরবান রেজিলিয়েন্স প্রজেক্টের আওতায় ইলেকট্রনিক কনস্ট্রাকশন পারমিটিং সিস্টেম চালু হয়, যা বর্তমানে চলমান রয়েছে।

    প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ বলেন, প্লানিং পারমিট বা নকশা অনুমোদনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ করতে ওয়ান উইন্ডো সেলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে একই ছাতার নিচে এনে সেবা দিতে পারলে অনুমোদনের সময় আরও কমবে এবং জনভোগান্তিও কমবে।

    রাজউকের কর্মকর্তাদের মতে, তাদের আট জোনে পারমিট আবেদন ও অনুমোদন অনলাইনে হওয়ায় সেবাপ্রক্রিয়া আরও সহজ হয়েছে। তবে পুরো ব্যবস্থাকে কার্যকরভাবে ‘ওয়ান-স্টপ’ সেবায় রূপ দিতে হলে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার অনাপত্তি প্রদান, নির্মাণকালীন পরিদর্শন এবং অন্যান্য সহায়ক কার্যক্রমও ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে। সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে আনা সম্ভব হলে ভবন নির্মাণের অনুমোদন প্রক্রিয়ায় সময় ও জনভোগান্তি আরও কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Nasim

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Latest Posts

    খাসজমি উদ্ধারে প্রশাসনের টানা তিন দিনের অভিযান, আগাম নোটিশ না দেওয়ার অভিযোগ

    25 October, 2026

    চার দিনের সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    25 October, 2026

    সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে আত্মনিয়ন্ত্রণ জরুরি

    25 October, 2026

    সম্পাদক প্রকাশক: আশিকুর রহমান মিঠু
    ফোনঃ 01772666086
    E-mail: Shomayershangbad@gmail.com

     

    প্রধান কার্যালয়ঃ ৫১৬/২ ই-সি-বি চত্বর ৭১ টাওয়ার 

    Facebook X (Twitter) Instagram Vimeo YouTube
    © 2026 Shomayer Shangbad. Designed by MD ROBIN MIA.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.