Skip to content
Close Menu
সময়ের সংবাদ
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    Facebook X (Twitter) Instagram
    সময়ের সংবাদ
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    সময়ের সংবাদ
    Home»আন্তর্জাতিক»ইরানের ‘প্রাণভোমরা’য় আঘাত, কি ব্যবস্থা নেবে তেহরান?
    আন্তর্জাতিক

    ইরানের ‘প্রাণভোমরা’য় আঘাত, কি ব্যবস্থা নেবে তেহরান?

    NasimBy Nasim5 September, 2026No Comments3 Mins Read
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Email

    পারস্য উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনী তিনটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবি করেছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোঁড়ার পর এই পদক্ষেপ নেয় মার্কিন বাহিনী।

    ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো না হলেও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তেল সম্পদ সমৃদ্ধ খার্গ দ্বীপের কাছে একটি ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

    যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টকমের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, একটি মার্কিন এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার এবং গাইডাইল-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইরানের উসকানিমূলক একাধিক হামলা সফলভাবে প্রতিহত করেছে। ইরানের এই ব্যর্থ হামলার পর সেন্টকম খার্গ দ্বীপের উপকূলের এম/টি ডাউনি এবং জাস্কের নিকটবর্তী এম/টি স্টার্ক ওয়ান নামের ইরানি ক্রুড অয়েল ক্যারিয়ার দুটিকে স্থায়ীভাবে অকার্যকর করে দিয়েছে। এ ছাড়া ওমান উপসাগরে খালী অবস্থায় থাকা ক্রুড অয়েল ক্যারিয়ার এম/টি কাইলোকেও সম্পূর্ণ ধ্বংস করেছে মার্কিন বাহিনী। ক্রুদের জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর জাহাজটির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলা চালিয়ে সেটিকে অচল করে দেওয়া হয়।

    সেন্টকম জানিয়েছে, এই তিনটি জাহাজ একটি কয়েক বিলিয়ন ডলারের শ্যাডো নেটওয়ার্কের অংশ, যা আইআরজিসি এবং তাদের আঞ্চলিক প্রক্সিগুলোকে অর্থায়ন করে থাকে।

    সেন্টকমের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেছেন, আইআরজিসির কাছে বার্তাটি স্পষ্ট হওয়া উচিত: যদি তোমরা আমাদের দুটি জাহাজে গুলি চালাও, তবে আমরা আরও বেশি অর্থনৈতিক মূল্য নির্ধারণ করব এবং তোমাদের তিনটি জাহাজ ধ্বংস করে দেব।

    এর আগে শনিবার ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো জানায় যে, খার্গ দ্বীপের কাছাকাছি মার্কিন বাহিনীর মিসাইল হামলায় একটি ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, নোঙর এলাকায় থাকা ট্যাংকারটি মার্কিন বাহিনীর ছোঁড়া চারটি প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং ট্যাংকারের ক্রুরা জাহাজ থেকে সরে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় ছিলেন।

    সিএনএন-এর হাতে আসা অডিও রেকর্ডিংয়ে শোনা গেছে, মার্কিন সামরিক বিমান একটি জরুরি চ্যানেলের মাধ্যমে জাহাজটিকে সতর্কবার্তা পাঠাচ্ছে। একটি রেকর্ডিংয়ে আমেরিকান উচ্চারণে বলতে শোনা যায়, মোটর ট্যাংকার স্টার্ক ওয়ান, এটি মার্কিন সামরিক বিমান। আমি আপনার জাহাজের পেছনের অংশে গুলি চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি। জাহাজের পেছনের অংশ থেকে ক্রুদের সরিয়ে নিতে আপনাদের ১০ মিনিট সময় দেওয়া হলো। অভার। পরবর্তী আরেকটি কথোপকথনে জাহাজটিকে শেষ সতর্কবার্তা দিয়ে বলা হয়, এটি আপনার শেষ সতর্কবার্তা… অবিলম্বে লাইফবোটে উঠুন এবং জাহাজ ত্যাগ করুন। এর মাঝখানে সিএনএন-এর শোনা একটি অডিওতে জাহাজের কেউ একজন বিমানটিকে গুলি বন্ধ করার অনুরোধ করে বলেন, আমরা ইতিমধ্যেই ধ্বংস হয়ে গেছি।

    মেরিটাইম ট্রাফিকের শিপ ট্র্যাকিং ডাটা অনুযায়ী, স্টার্ক ওয়ান নামের এই ট্যাংকারটি গত সপ্তাহে খার্গ দ্বীপের কাছাকাছি অবস্থান করছিল।

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই সংঘাত বর্তমানে  অনিশ্চিত ও অস্থির অবস্থার মধ্যে রয়েছে, যেখানে উভয় পক্ষই বৈশ্বিক তেল সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

    প্রবালসমৃদ্ধ খার্গ দ্বীপ ইরানের উপকূলের কাছে অবস্থিত এবং এটি দেশটির মোট অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ পরিচালনা করে থাকে। এই সংঘাত চলাকালীন দ্বীপটিতে একাধিকবার হামলা চালানো হয়েছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পূর্বে দ্বীপটি দখলের হুমকিও দিয়েছিলেন।

    এদিকে গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এই সংঘাতকে ‘যুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছেন, সাম্প্রতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও সেখানে কোনো ‘সক্রিয় গোলাগুলি’ চলছে না। তিনি এই সংঘাতের অবসানের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করতেও রাজি হননি। তিনি বরং ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ছয় মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ বিমান হামলার মধ্য দিয়ে যে সংঘাতের সূচনা হয়েছিল, তার সমাপ্তি ঘটানোর দায়িত্ব একমাত্র ইরানেরই।

    সূত্র: সিএনএন

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Nasim

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Latest Posts

    নিয়ন্ত্রণে আসছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, শনাক্তে থাকবে কিউআর কোড: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    7 September, 2026

    বছরে ১০ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক বৈধভাবে যেতে পারবেন ইতালিতে

    7 September, 2026

    প্রত্যেক নাগরিকের জন্য দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সুযোগ নিশ্চিতই সরকারের অগ্রাধিকার

    7 September, 2026

    সম্পাদক প্রকাশক: আশিকুর রহমান মিঠু
    ফোনঃ 01772666086
    E-mail: Shomayershangbad@gmail.com

     

    প্রধান কার্যালয়ঃ ৫১৬/২ ই-সি-বি চত্বর ৭১ টাওয়ার 

    Facebook X (Twitter) Instagram Vimeo YouTube
    © 2026 Shomayer Shangbad. Designed by MD ROBIN MIA.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.