Skip to content
Close Menu
সময়ের সংবাদ
    Facebook X (Twitter) Instagram
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    Facebook X (Twitter) Instagram
    সময়ের সংবাদ
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • অর্থনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • ইসলামী জীবন
      • কৃষি
      • স্বাস্থ্য
      • পর্যটন
      • সারাদেশ
      • রাজধানী
      • শিক্ষা
    সময়ের সংবাদ
    Home»জাতীয়»পঞ্চগড়-কক্সবাজার এক ট্রেনেই বদলে দেবে রেল মানচিত্র
    জাতীয়

    পঞ্চগড়-কক্সবাজার এক ট্রেনেই বদলে দেবে রেল মানচিত্র

    NasimBy Nasim26 October, 2026No Comments6 Mins Read
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Email

    দেশের উত্তর সীমান্তঘেঁষা পঞ্চগড় থেকে দক্ষিণের পর্যটননগরী কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি রেল চালুর পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে এই যোগাযোগের প্রচলিত মানচিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

    বাংলাদেশ রেলওয়ে উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের রেল নেটওয়ার্ককে কার্যকরভাবে যুক্ত করতে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দিয়ে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এর সঙ্গে ডুয়েলগেজ ও ব্রডগেজ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, নতুন লোকোমোটিভ ও কোচ সংগ্রহ, নিরাপত্তা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, ডিজিটাল যাত্রীসেবা ও পরিবেশ সুরক্ষার কর্মসূচিও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালুর লক্ষ্য সামনে রেখে পশ্চিমাঞ্চলের বগুড়া-সিরাজগঞ্জ কর্ড লাইন ও শান্তাহার-বগুড়া লিংক এবং পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম- দোহাজারী, টঙ্গী-আখাউড়া ও লাকসাম-চট্টগ্রাম রেলপথ উন্নয়ন প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

    রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালুর লক্ষ্য নিয়ে এসব প্রকল্প সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে শুধু পঞ্চগড়ই নয়, রাজশাহী, চিলাহাটি ও অন্যান্য ব্রডগেজ রুট থেকেও কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমানে পঞ্চগড়সহ উত্তরাঞ্চলের ট্রেনগুলো ঢাকার দিকে যেতে ঈশ্বরদী হয়ে দীর্ঘ ঘুরপথ অতিক্রম করে। বগুড়া-সিরাজগঞ্জ কর্ড লাইন ও শান্তাহার-বগুড়া লিংক বাস্তবায়িত হলে এ ঘুরপথের প্রায় ১১২ কিলোমিটার কমে যাবে। এতে পঞ্চগড়, বুড়িমারী, লালমনিরহাট, দিনাজপুর ও চিলাহাটিসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন রুটের যাত্রাপথ ছোট হওয়ার পাশাপাশি প্রায় তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় সাশ্রয় হবে বলে তিনি জানান।
    এর ফলে উত্তরাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য যোগাযোগে গতিশীলতা আসবে। রাজধানীসহ সারাদেশে কম খরছে ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে পণ্য পরিবহন সমআভব হবে।

    বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পটি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, প্রকল্পের জন্য ইতোমধ্যেই ৯০১ একর ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং বগুড়া ও সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন অধিগ্রহণকৃত ভূমি রেলওয়েকে বুঝিয়ে দিয়েছে। সংশোধিত ডিপিপি পুনর্গঠন করে একনেকের অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

    এই করিডোরের সঙ্গে শান্তাহার-বগুড়া লিংক যুক্ত হলে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার সরাসরি ব্রডগেজ রেল যোগাযোগ আরও কার্যকর হবে। একইসঙ্গে উত্তরাঞ্চল থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ট্রেন চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় সংযোগও তৈরি হবে।

    প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পঞ্চগড়-কক্সবাজার সরাসরি রেল যোগাযোগ প্রতিষ্ঠায় পূর্বাঞ্চলের রেলপথ উন্নয়নও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ জন্য চট্টগ্রাম-দোহাজারী, টঙ্গী-আখাউড়া ও লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশকে ডুয়েলগেজ নেটওয়ার্কে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম-দোহাজারী মিটারগেজ রেললাইনকে ডুয়েলগেজে রূপান্তরের প্রকল্প ইতোমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে। ঠিকাদার ও পরামর্শক নিয়োগের কার্যক্রম শেষ করে মূল কাজ শুরুর প্রস্তুতি চলছে। এ প্রকল্পের আওতায় ৩০টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ সংগ্রহ করা হবে।

    আখাউড়া-লাকসাম ডাবল লাইন ডুয়েলগেজ প্রকল্প ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। এখন টঙ্গী-আখাউড়া ও লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশ ডুয়েলগেজে উন্নীত করা হলে পূর্বাঞ্চলের রেল নেটওয়ার্কের সক্ষমতা আরও বাড়বে।

    প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, লাকসাম-চট্টগ্রাম মিটারগেজ ডাবল ট্র্যাককে ডুয়েলগেজ ডাবল ট্র্যাকে রূপান্তরের ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। একইভাবে টঙ্গী- ভৈরববাজার-আখাউড়া মিটারগেজ ডাবল লাইনকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের জন্য ডিপিপি অনুমোদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
    তারা আরও জানিয়েছেন, দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ ইতোমধ্যেই ডুয়েলগেজ হওয়ায় পশ্চিমাঞ্চলের ব্রডগেজ রেলপথের সঙ্গে পূর্বাঞ্চলের ডুয়েলগেজ নেটওয়ার্ক যুক্ত করা গেলে পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালানোর অবকাঠামোগত ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে।

    বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, দেশের রেল নেটওয়ার্ককে আরও কার্যকর করতে ঢাকা-কুমিল্লা কর্ড লাইন প্রকল্পও অগ্রাধিকার পেয়েছে। প্রায় ৮১ কিলোমিটার দীর্ঘ এ কর্ড লাইনের মাধ্যমে কুমিল্লাকে সরাসরি রাজধানীর শ্যামপুরের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দূরত্ব কমবে প্রায় ৮০ কিলোমিটার ও যাতায়াতের সময় কমবে দুই ঘণ্টা। প্রকল্পের অ্যালাইনমেন্ট চূড়ান্ত হয়েছে। খসড়া সম্ভাব্যতা সমীক্ষা অনুমোদিত হয়েছে এবং চূড়ান্ত সমীক্ষা অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলছে। বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজও এগিয়ে চলছে।

    তিনি বলেন, এ কর্ড লাইনের পুরো অংশই উড়ালপথে নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে ভূমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন কমবে এবং লেভেল ক্রসিং সীমিত রেখে ট্রেনের গতি ও নিরাপত্তা বাড়ানো সম্ভব হবে। চলতি অর্থবছরে ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তরের জন্য ডিপিপি অনুমোদনের লক্ষ্য রয়েছে। এর পাশাপাশি লালমনিরহাট-বগুড়া, পার্বতীপুর-কাউনিয়া-রংপুরসহ বিভিন্ন রুটকে ডুয়েলগেজ বা ব্রডগেজে রূপান্তরের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। রেলওয়ের পরিকল্পনা হলো প্রথমে প্রধান রেলপথগুলোকে আধুনিকায়ন করা এবং পর্যায়ক্রমে শাখা রেলপথগুলোকে মূল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা।

    রেলপথ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের যাতায়াত আরও সহজ করতে নতুন ট্রেন চালুর উদ্যোগও অব্যাহত রয়েছে। গত ১০ আগস্ট ঢাকা-গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেন উদ্বোধন করা হয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের মহানগর এক্সপ্রেসের রুট কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২৬ অক্টোবর রাত ৮টা থেকে মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেন ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত চলবে। এরফলে নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও ফেনীসহ বিভিন্ন জেলার যাত্রীরা সহজেই সরাসরি কক্সবাজার যেতে পারবেন।

    রেলওয়ের সংশ্লিষ্টরা জানান, অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি রেল পরিবহন সক্ষমতা বাড়াতে নতুন লোকোমোটিভ ও কোচ সংগ্রহেও জোর দেওয়া হয়েছে। ভারত থেকে ২০০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী রেলকোচ সংগ্রহ প্রকল্পের আওতায় প্রথম চালানে ১৮টি কোচ ইতোমধ্যে দেশে এসেছে। এর থেকে ১২টি নতুন কোচ দিয়ে ঢাকা-পাবনা-ঢাকা রুটে আন্তঃনগর ট্রেন চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নভেম্বরে শেষ সাপ্তাহে এই ট্রেন চালু হবে। এ ছাড়া ঢাকা-খুলনা-ঢাকা রুটে দুটি আন্তঃনগর ট্রেন চালুর প্রস্তুতিও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

    রেলওয়ের কর্মকর্তা জানান, এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকের (এআইআইবি) অর্থায়নে ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহের ডিপিপি পুনর্গঠন করে অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এডিবির অর্থায়নে ২০০টি মিটারগেজ কোচ, তিনটি রিলিফ ক্রেন ও আন্ডার-ফ্লোর হুইল লেদ মেশিন সংগ্রহের ডিপিপি প্রণয়ন সম্পন্ন হয়েছে। নতুন প্রযুক্তির আন্ডার-ফ্লোর হুইল লেদ চালু হলে চাকা খুলে না ফেলেই ট্রেনের চাকার প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ করা যাবে। ফলে রক্ষণাবেক্ষণে সময় কমার পাশাপাশি বাড়বে কর্মদক্ষতা।

    এ ছাড়া ৭০টি লোকোমোটিভ, যার মধ্যে ৩০টি মিটারগেজ ও ৪০টি ব্রডগেজ ও রক্ষণাবেক্ষণে তিন বছর মেয়াদি সার্ভিস কন্ট্রাক্টের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী অর্থবছরে ৪৬টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ ও ২৬০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী ক্যারেজ সংগ্রহের পরিকল্পনাও রয়েছে।
    রেলপথ মন্ত্রণালয় জানান, পশ্চিমাঞ্চলের রেলপথ রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসনে ২ হাজার ২৮ কোটি ৫৮ লাখ ৬১ হাজার টাকা ব্যয়ের প্রকল্প গত ২৬ এপ্রিল একনেক সভায় অনুমোদিত হয়েছে। বিভিন্ন প্যাকেজে টেন্ডার কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে অকেজো ও অব্যবহৃত ২০ সেট ডেমু ট্রেন পিপিপির মাধ্যমে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    রেলওয়ে জানায়, রেলপথকে নিরাপদ করতে ঢাকা-টঙ্গী-জয়দেবপুর সেকশনের লেভেল ক্রসিংগুলো আন্ডারপাস বা ওভারপাসে রূপান্তরের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা হালনাগাদ করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলছে। পাশাপাশি ঢাকা-টঙ্গী অংশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লেভেল ক্রসিংয়ে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় সতর্কীকরণ ব্যবস্থা পরীক্ষামূলকভাবে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    এ কার্যক্রমে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। সফল হলে পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, যাত্রীসেবায় ডিজিটাল সুবিধাও যুক্ত হচ্ছে। কমলাপুর, বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার রেলস্টেশনে বিটিসিএলের মাধ্যমে বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই চালু হয়েছে। পর্যটক এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, বনলতা এক্সপ্রেস ও উপবন এক্সপ্রেসেও স্টারলিংকের মাধ্যমে বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা চালু হয়েছে। রেলওয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনাতেও উন্নতির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রেলওয়ের সম্পদের কার্যকর ব্যবহার এবং সেবার পরিধি বাড়াতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। কক্সবাজার আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন বেসরকারি খাতে পরিচালনার জন্য পুনঃদরপত্র আহ্বানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে রেলওয়ের জমিতে রোলিং স্টক উৎপাদন কারখানা স্থাপনে বেসরকারি বিনিয়োগ আহ্বানের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

    পঞ্চগড়-কক্সবাজার সরাসরি ট্রেনের উদ্যোগটি দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে। পাঁচটি অগ্রাধিকার প্রকল্প, ডুয়েলগেজ-ব্রডগেজ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, নতুন রোলিং স্টক, নিরাপত্তা ও ডিজিটাল সেবা—সমন্বিত এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রেলওয়ে আরও সক্ষম, নিরাপদ, আধুনিক ও জনবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থায় রূপ নেওয়ার পথে এগিয়ে যাবে।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Nasim

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Latest Posts

    মজুরি বোর্ড গঠনের গেজেট প্রকাশ শিগগিরই : শ্রমমন্ত্রী

    27 October, 2026

    চীন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও কৌশলগত অংশীদার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    27 October, 2026

    হামলা না করা শর্তে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দিতে চায় সৌদি আরব

    27 October, 2026

    সম্পাদক প্রকাশক: আশিকুর রহমান মিঠু
    ফোনঃ 01772666086
    E-mail: Shomayershangbad@gmail.com

     

    প্রধান কার্যালয়ঃ ৫১৬/২ ই-সি-বি চত্বর ৭১ টাওয়ার 

    Facebook X (Twitter) Instagram Vimeo YouTube
    © 2026 Shomayer Shangbad. Designed by MD ROBIN MIA.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.